1. [email protected] : Abir k24 : Abir k24
  2. [email protected] : bulbul ob : bulbul ob
  3. [email protected] : Ea Shihab : Ea Shihab
  4. [email protected] : khobor : khobor 24
  5. [email protected] : admin : admin admin
  6. [email protected] : nahid islam : nahid islam
  7. [email protected] : R khan : R khan
চিকিৎসার অভাবে রশিতে বাঁধা ৭ বছরের জিসান - খবর ২৪ ঘণ্টা
সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০৫:২৯ অপরাহ্ন

চিকিৎসার অভাবে রশিতে বাঁধা ৭ বছরের জিসান

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১ জুন, ২০২৬

নিউজ ডেস্ক: যে বয়সে অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলাধুলা করে ছুটে বেড়ানোর কথা, সেই বয়সেই পায়ে রশি বাঁধা অবস্থায় দিন কাটছে সাত বছরের শিশু মো. জিসানের। জন্মগত মানসিক সমস্যার কারণে তাকে সবসময় নজরে রাখতে হয় পরিবারের সদস্যদের। দারিদ্র্য আর চিকিৎসার অভাবে অসহায় মা বাধ্য হয়ে শিশুটিকে রশি দিয়ে বেঁধে রাখেন।

জিসান মায়ের সঙ্গে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ আবাসনে থাকে।

জানা গেছে, জন্মের পর থেকেই জিসানের আচরণ ছিল কিছুটা অস্বাভাবিক। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সে আরও চঞ্চল ও অনিয়ন্ত্রিত হয়ে ওঠে। প্রায়ই কাউকে কিছু না বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। অনেক সময় দূরে কোথাও গিয়ে ঘুমিয়ে থাকে, পরে আর নিজে থেকে বাড়ি ফিরতে পারে না। এ কারণে সবসময় আতঙ্কে থাকেন পরিবারের সদস্যরা।

জিসানের মা মেঘলা বলেন, ওকে ছেড়ে দিলে কোথায় চলে যায় কোনো ঠিক থাকে না। আমি গরিব মানুষ, সারাক্ষণ ওর পেছনে থাকা সম্ভব হয় না। স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের কারণে কাজ করে সংসার চালাই। তাই বাধ্য হয়েই পায়ে রশি দিয়ে রাখি, যেন চোখের সামনে থাকে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, জিসানের বাবা অনেক আগেই তাদের ছেড়ে চলে গেছেন। বর্তমানে মায়ের সামান্য আয়েই কোনোরকমে চলছে সংসার। উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হলেও অর্থাভাবে তা সম্ভব হচ্ছে না।

জিসানের নানি বলেন, ভালো চিকিৎসা করাতে পারলে হয়ত জিসান স্বাভাবিক হতে পারতো। কিন্তু আমাদের সেই সামর্থ্য নেই। সরকার বা সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে এলে শিশুটার জীবন বদলে যেতে পারে।

স্থানীয়রাও জানান, অর্থাভাবে চিকিৎসা না হওয়ায় শিশুটির মানসিক অবস্থার আরও অবনতি হচ্ছে। তারা দ্রুত সরকারি ও বেসরকারি সহায়তার দাবি জানান।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক এসএম শাহজাদা বলেন, সরকারিভাবে বিভিন্ন ধরনের সহায়তার ব্যবস্থা রয়েছে। পরিবারটি আবেদন করলে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া সম্ভব হবে। জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থাও করা যেতে পারে।

খবর২৪ঘন্টা/মইসে

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।

 
Developed By Khobor24ghonta Team