1. [email protected] : Abir k24 : Abir k24
  2. [email protected] : bulbul ob : bulbul ob
  3. [email protected] : Ea Shihab : Ea Shihab
  4. [email protected] : khobor : khobor 24
  5. [email protected] : admin : admin admin
  6. [email protected] : nahid islam : nahid islam
  7. [email protected] : R khan : R khan
সর্পদংশনে সময়মতো চিকিৎসায় প্রাণরক্ষা সম্ভব: রাজশাহীর সিভিল সার্জন - খবর ২৪ ঘণ্টা
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২০ অপরাহ্ন

সর্পদংশনে সময়মতো চিকিৎসায় প্রাণরক্ষা সম্ভব: রাজশাহীর সিভিল সার্জন

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: সর্পদংশনে সচেতনতা বৃদ্ধি ও সময়মতো চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে শতভাগ প্রাণরক্ষা সম্ভব বলে জানিয়েছেন রাজশাহীর সিভিল সার্জন ডা. এস. আই. এম রাজিউল করিম। তিনি বলেন, সঠিক সময়ে হাসপাতালে পৌঁছাতে পারলে সর্পদংশনের কারণে একটি মানুষেরও মৃত্যু হওয়ার কথা নয়। তবে চিকিৎসায় বিলম্ব হলে শরীরে বিষ ছড়িয়ে পড়ে রোগীর জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজশাহী সিভিল সার্জন কার্যালয় চত্বরে আন্তর্জাতিক সর্পদংশন সচেতনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত র‌্যালি শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সিভিল সার্জন ডা. এস. আই. এম রাজিউল করিম বলেন, সর্পদংশনের সব ঘটনা বিষধর সাপের কামড় নয়। তবে যেকোনো সাপের দংশনের পর রোগীকে বাড়িতে বসিয়ে রাখা কিংবা কবিরাজ বা ওঝার কাছে নিয়ে গিয়ে সময়ক্ষেপণ করা সম্পূর্ণ অনুচিত। দেরি না করে দ্রুত রোগীকে নিকটস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, জেলা হাসপাতাল বা সরকারি হাসপাতালে নিতে হবে।
তিনি বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসকের পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে বিষধর সাপের দংশন নিশ্চিত হলে রোগীকে দ্রুত প্রয়োজনীয় আধুনিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। বর্তমানে সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, জেলা হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিনামূল্যে এন্টিভেনম সরবরাহ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ নদীমাতৃক ও বর্ষাপ্রধান দেশ হওয়ায় বর্ষা এবং বর্ষা পরবর্তী সময়ে সর্পদংশনের প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায় জানিয়ে তিনি বলেন, দেশে গোখরা, রাসেলস ভাইপার এবং ক্রেইট বা কালা সাপের দংশন সবচেয়ে বেশি বিপজ্জনক। তবে সর্পদংশনজনিত মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ সাপের বিষের পাশাপাশি সামাজিক কুসংস্কার, ভুল চিকিৎসা ও চিকিৎসা নিতে বিলম্ব করা।

সর্পদংশন প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সতর্কতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, বাড়ির আশপাশের গর্ত, ফাটল, খড়ি কিংবা লাকড়ির স্তূপে সাপ আশ্রয় নিতে পারে। তাই এসব স্থানে হাত দেওয়ার আগে আলো জ্বালানোর পাশাপাশি শব্দ করতে হবে। বর্ষাকালে রাতে মাছ ধরা কিংবা চলাচলের সময় অবশ্যই আলো ব্যবহার করতে হবে।

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ঘরে প্রবেশের সময়ও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়ে সিভিল সার্জন বলেন, ঘরে ঢোকার আগে আলো জ্বালিয়ে শব্দ করতে হবে। পাশাপাশি বিছানার নিচসহ ঘরের চারপাশ ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করা জরুরি। গ্রামীণ এলাকায় গরমের দিনে মাটিতে শোয়ার অভ্যাসও পরিহার করা উচিত।
সর্পদংশন বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে প্রশাসন, পুলিশ ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোহা. আনোয়ারুল ইসলাম, মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুর রাকিব, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেলেনা আকতারসহ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

খবর২৪ঘন্টা/মইসে

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।

 
Developed By Khobor24ghonta Team