
মহাদেবপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি: শারদীয় দুর্গাপূজার সময় ধর্ম ব্যবসায়ীদের থেকে দূরে না থাকতে পারলে দেশে বিভাজন সৃষ্টি হবে। এই ধর্ম ব্যবসায়ীরা সর্বক্ষেত্রে বিভাজন সৃষ্টি করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে। এরা নিজের বউকে পর্দার ভয় দেখিয়ে ঘরে রেখে অন্য নারীকে চাকরির প্রলোভনে হোটেলে ভোগ করার সময় ধরা পড়ে। এরা ধর্মের ঠিকাদারী নিয়েছে । ধর্মের ঠিকাদারির মাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে এরা দেশে বিভাজন সৃষ্টি করছে তাই শারদীয় দূর্গা পূজার সময় সকলকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে ধর্ম ব্যবসায়ীদের প্রতিহত করে সফল হতে হবে। সকলকে মনে রাখতে হবে ধর্ম যার যার বাংলাদেশ সবার।
শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে মহাদেবপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা সুষ্ঠু সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ ভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে প্রস্তিতি মূলক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দান কালে ৪৮ নওগাঁ ৩ (মহাদেবপুর- বদলগাছি )আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ফজলে হুদা এসব কথা বলেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মানজুরা মুশাররফ এর সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ওমর ফারুক, উপজেলা আনসার অফিসার মিলন কুমার, পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম , পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি রতন কুমার মন্ডল, চেয়ারম্যানদের মধ্যে এনামুল হক প্রমূখ।
প্রধান অতিথি সমাবেশে আরও বলেন ধর্ম পালন হবে আত্মশুদ্ধির জন্য। পূজার উছিলায় মদ পান করে ডিজে পার্টি করার জন্য নয়। কোন ধর্মই আত্ম শুদ্ধি ব্যতিত খারাপ কাজে উৎসাহিত করে না। এমপি ফজলে হুদা প্রসঙ্গ ক্রমে বলেন দেশের ইতিহাসে কোন সরকার এত গুজবের সম্মুখীন হয়নি, গত ৬ মাসে বেহেস্তের টিকিট বিক্রেতা ও বটবাহিনী কর্তৃক তারেক রহমানের সরকার যত গুজবের সম্মুখীন হয়েছেন। আপনারা নিশ্চয়ই এতদিনে বুঝতে পেরেছেন যে,এই বটবাহিনী প্রযুক্তির খারাপ দিক ব্যবহার করে সমাজকে নষ্ট করে দিয়েছে। তাই এদের থেকে সতর্ক থাকতে হবে এরা যেতে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে না পারে।
এজন্য নিজ নিজ এলাকায় মিটিং করে আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব সফলভাবে পালন করতে হবে। সমাবেশ শেষে উপজেলার প্রতিটি পূজা মন্ডপের অনুকূলে ৬শ কেজি করে চাউল এর ডিও প্রদান করা হয়।
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি জান্নাতুল নাঈম বিনতে আজিজ, কৃষি অফিসার হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা গোলাম রব্বানী ,সাবেক ছাত্রনেতা ও জাহাঙ্গীরপুর সরকারি বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজের সাবেক জেষ্ঠ প্রভাষক মিরাজুল ইসলাম মিরাজ ,উপজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক ও এমপি রাজনৈতিক সচিব মতিউর রহমান মতি,থানা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক লিয়াকত আলী বাবলু সহ উপজেলার ১০ ইউনিয়ন থেকে আগত প্রতিটি পূজা মন্ডপের সভাপতি সেক্রেটারি এবং হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ট্রাস্টের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য যে, পরক্ষণে এমপি ফজলে হুদা ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর আয়োজনে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ প্রতিরোধে ইমাম ও মুয়াজ্জিন এর ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা ও মতবিনয় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।
খবর২৪ঘন্টা/মইসে
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।