আজ বুধবার, ১৯শে জুন, ২০১৯ ইং, ৫ই আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

গোদাগাড়ীতে জানাজা শেষে সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হকের দাফন সম্পন্ন

ব্যারিস্টার আমিনুল হকের জানাজার দৃশ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হক এর নামাজে জানাযা বুধবার বাদ আসর গোদাগাড়ীর কলেজ সংলগ্ন মজুমদার পার্ক মাঠ অনুষ্ঠিত হয়। জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। দাফনের পুর্বে প্রিয় এই নেতাকে শেষবারের মত দেখার জন্য মানুষের ঢল নামে। অনেকেই শেষ পর্যন্ত দেখতে পাইনি। আবার অনেক নেতাকর্মী তাঁকে ফুল দিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান। জানাজায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার অন্যতম উপদেষ্টা, সাবেক মেয়র ও সংসদ সদস্য জননেতা মিজানুর রহমান মিনু, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক, রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সভাপতি ও সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, চারঘাট উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান আবু সাইদ চাঁদ,

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর আসনের সংসদ সদস্য হারুনুর রশিদ, তানোর গোদাগাড়ী আসনের সংসদ সদস্য ওমর ফারুক চৌধুরী, রাজশাহী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকার, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির ত্রান ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক এবং মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট শফিকুল হক, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, মাহনগর বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিউল হক রানা, জেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ

ব্যারিস্টার আমিনুল হকের জানাজার নেতাকর্মীদের ঢল

সম্পাদক মহসিন আলী ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রায়হানুল আলম রায়হান।
এছাড়াও গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম সাওয়াল, পৌর বিএনপির সভাপতি মজিবর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তাজমিলুর রহমান শেলী, মাটিকাটা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম,

কাকনহাট পৌর বিএনপির সভাপতি জিয়াউল হক, রাজশাহী মহানগর যুবদলের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সুইট, জেলা যুবদলের সভাপতি মোজাদ্দেদ জামানী সুমন, মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন, গোদাগাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও সদস্য, পৌর মেয়রগণ ও সদস্য এবং সাধারণ জনগণ এবং মরহুমের আত্মীয়স্বজনসহ প্রায় লক্ষাধীক জনগণ জানাযায় অংশ গ্রহন করেন। উল্লেখ্য ব্যারিস্টার আমিনুল হক রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। তিনি বেশ কিছু যাবৎ ক্যান্সারে ভ‚গছিলেন।

সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার আমিনুল হক ২০০১-০৬ মেয়াদে চার দলীয় জোট সরকারের ডাক ও টেলি যোগাযোগ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সবশেষ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দিতা করেন তিনি। তিনি শুদু একজন সংসদ সদস্যই ছিলেন না। জানাযাপুর্ব বক্তব্যে মিনু বলেন, আমিনুল হক শুধুমাত্র একজন সংসদ সদস্যই ছিলেন না। তিনি তানোর গোদাগাড়ীসহ রাজশাহীসহ উত্তরবঙ্গের বহুলোকের উপকার করেছেন। তাঁর নিকট আইনী সহায়তা চেয়ে কেউ খালি হাতে ফিরে আসেনি। এছাড়াও তিনি একজন পরহেজগার লোক ছিলেন। কোনদিন কারো ক্ষতি তিনি করেননি। বর্ষিয়ান এই নেতার ইন্তেকালে তানোর-গোদাগাড়ীর মানুষ যেমন একজন অভিভাবক হারালেন, তেমনি বিএনপি একজন বলিষ্ঠ নেতাকে হারালেন। তাঁর এই স্থান কোনদিন পুরন হবেনা। শেষে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা ও শোকায়িত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদা জানান মিনু।

আর/এস


Download our Mobile Apps Today