1. [email protected] : Abir k24 : Abir k24
  2. [email protected] : bulbul ob : bulbul ob
  3. [email protected] : Ea Shihab : Ea Shihab
  4. [email protected] : khobor : khobor 24
  5. [email protected] : admin : admin admin
  6. [email protected] : nahid islam : nahid islam
  7. [email protected] : R khan : R khan
বাঘায় এক বিঘার পাট জাগ দিলে পুকুর মালিক পাচ্ছেন ২ হাজার - খবর ২৪ ঘণ্টা
রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন

বাঘায় এক বিঘার পাট জাগ দিলে পুকুর মালিক পাচ্ছেন ২ হাজার

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীর বাঘায় এক বিঘা জমির পাট জাগ দিলে পুকুর মালিককে দিতে হচ্ছে ২ হাজার টাকা। এলাকায় বৃষ্টি নেই। পুকুর মালিক শ্যালো মেশিন দিয়ে পানি জমাচ্ছেন। সেই পুকুরে এলাকার চাষিরা পাট জাগ দিচ্ছেন। এমননিভাবে পাট চাষিদের সহযোগিতা করছেন আড়ানী পৌরসভার গোচর গ্রামের জিল্লু সরদার।

এক বিঘা জমিতে ১০-১২ মণ পাট উৎপাদন হয়। পাট চাষ করতে ৭-৮ হাজার টাকা খরচ হয়। দাম ভালো পাওয়ার আশায় এবার চাষিরা বেশি করে পাট চাষ করেছেন। মাঝেমধ্যে বৃষ্টি হলেও পাট জাগ দেওয়ার মতো পুকুর পুষ্কুন্নীতে পাট জাগ দেওয়ার মতো পানি জমে নাই। কোন উপায় না পেয়ে পুকুর ভাড়া নিয়ে পাট জাগ দিচ্ছেন চাষিরা।

আগাম ধান রোপনের জন্য পুকুর ভাড়া নিয়ে বর্তমানে পাট কাটা, জাগ দেয়া, আঁশ ছুড়ানো এবং শুকানোর কাজ করছেন চাষীরা। উপজেলার বিভিন্ন বাজারে ইতোমধ্যে নতুন পাট উঠতেও শুরু করেছে।

আড়ানী চকরপাড়া গ্রামের পাট চাষি আমিরুল ইসলাম বলেন, আমার এক বিঘা জমিতে পাটের আবাদ করেছি। বৃষ্টি না থাকায় পাট জাগ দিতে পারছিলাম না। পাট কাটার পর জানতে পারলাম জিল্লুর সরদার নামের এক ব্যক্তি নিজের শ্যালো মেশিন দিয়ে পানি দিয়ে পাট জাগ দেয়ার জন্য পুকুর প্রস্তুত করছেন। এক বিঘা জমির পাট জাগ দিয়ে ২ হাজার টাকা দিয়েছি। আমার মতো অনেকেই তার পুকুরে পাট জাগ দিচ্ছেন।

গোচর গ্রামের পুকুর মালিক জিল্লু সরদার বলেন, এলাকায় অনেক দিন থেকে বৃষ্টি নেই। আগের একটু পানি ছিল, এতে এসে অনেকেই পাট জাগ দিতে চাচ্ছিলেন। আমি চিন্তা করে দেখলাম, আমার শ্যালো মেশিন আছে, এই মেশিন দিয়ে পুকুরে পানি দিয়ে প্রস্তুত করি। এরপর চাষিদের একটি শর্তে পাট জাত দিতে অনুমতি দিয়েছি।

গত শনিবার (৩০ জুলাই) উপজেলার দিঘা গ্রামের মকুল হোসেন বলেন, এক বিঘা জমিতে পাট চাষ করতে লাঙ্গল, বীজ সেচ, কাটা, পরিস্কার করা, সারসহ যাবতীয় খরচ হয় ৭-৮ হাজার টাকা। এবার উৎপাদন হচ্ছে ১০ থেকে ১২ মণ। বর্তমানে বাজারে নতুন পাট প্রতিমণ বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৪০০ থেকে ৩ হাজার ৬০০ টাকা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিউল্লাহ সুলতান বলেন, পাট চাষিরা পুকুর ভাড়া নিয়ে আবার কেউ কেউ বিঘা প্রতি পুকুরে পাট জাগ দিচ্ছেন। এতে চাষিদেও খরচ কিছুটা বেশি হচ্ছে। কোন উপায় নেই। আবাদ করলে একটু খরচ কষ্ট করতে হয়। উপজেলায় ৫ হাজার ২৪৮ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে।

খবর২৪ঘন্টা/মইসে

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।

 
Developed By Khobor24ghonta Team