1. [email protected] : Abir k24 : Abir k24
  2. [email protected] : bulbul ob : bulbul ob
  3. [email protected] : Ea Shihab : Ea Shihab
  4. [email protected] : khobor : khobor 24
  5. [email protected] : admin : admin admin
  6. [email protected] : nahid islam : nahid islam
  7. [email protected] : R khan : R khan
মিয়ানমার করিডোর কী কাজে সুবিধা দেবে, জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী - খবর ২৪ ঘণ্টা
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৭:১৭ অপরাহ্ন

মিয়ানমার করিডোর কী কাজে সুবিধা দেবে, জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ–মিয়ানমার–চীন করিডোর চালু হলে কাঁচামাল ও পণ্য পরিবহনের খরচ অনেক কমে আসতে পারে। এটি চট্টগ্রামের আনোয়ারায় গড়ে ওঠা চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্যও সহায়ক হবে।

শনিবার (২৭ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে চীন পর্যন্ত একটি অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব দেওয়া হয়।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, ‘আমরা যারা কূটনীতিক, কোনও বৈঠকে গেলে আমাদের প্রতিপক্ষের হয়ে কারা উপস্থিত আছেন, সেটি দেখেই বুঝতে পারি তারা কীসে গুরুত্ব দিচ্ছেন। চীনের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ট্রিলিয়ন ডলারের। তারা একটি বৃহৎ উদ্বৃত্ত অর্থনীতির দেশ, আর আমরা ঘাটতির অর্থনীতি। সেই বৈঠকে চীনের ফাইন্যান্স মিনিস্টার, ফরেইন মিনিস্টার এবং সেন্ট্রাল ব্যাংকের গভর্নর উপস্থিত ছিলেন। এত বড় একটি অর্থনীতি পরিচালনাকারী ব্যক্তিরা সম্মিলিতভাবে আমাদের জন্য প্রায় এক ঘণ্টা সময় দিয়েছেন। সুতরাং এই ভিজিটের সিগনিফিকেন্সএগুলো দেখলে বোঝা যায় যে আগের ভিজিটগুলোর তুলনায় এটা কমপ্লিটলি একটা ডিফারেন্ট।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এখানে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের অনুমোদন দিয়েছি। সেখানে শিল্প স্থাপন তখনই কার্যকর হবে, যখন প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা থাকবে। সেই সুবিধা নির্ভর করবে উৎপাদন ব্যয় ও লজিস্টিকসের ওপর। যদি চীনের এক প্রান্ত থেকে বাংলাদেশে কাঁচামাল আনতে সাত দিন সময় লাগে, তাহলে সময়জনিত ব্যয়ও বেড়ে যাবে।’

বর্তমানে চীনের সঙ্গে মিয়ানমারের একাধিক বন্দরের যোগাযোগ রয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘সেগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের মাল্টিমোডাল যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হলে এবং এই পথ ব্যবহার করে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে কাঁচামাল ও পণ্য আমদানি-রফতানি করা গেলে পরিবহন সময় ও ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। এতে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়বে এবং বিনিয়োগ আকর্ষণ সহজ হবে। ইউরোপ, আমেরিকা, এশিয়া, এমনকি মধ্য এশিয়াতেও এ ধরনের অর্থনৈতিক করিডোরের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে দ্রুত ও কম খরচে যোগাযোগ নিশ্চিত করে উৎপাদন বৃদ্ধি করা।’

সরকার এই বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নিয়েছে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিষয়টি আমরা এখন অনুসন্ধান করছি। অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়ন, কারখানা স্থাপন; এসব বিষয়ে যেমন পরিকল্পনা রয়েছে, তেমনি লজিস্টিকস ব্যবস্থাও সমন্বিতভাবে দেখতে হবে। এটি একটি খুবই আকর্ষণীয় ধারণা এবং উভয় পক্ষ বিষয়টি খতিয়ে দেখবে। আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে পরিবহন ব্যয় ও সময় কতটা কমানো যায় এবং বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা কতটা বাড়ানো যায়।

খবর২৪ঘন্টা/মইসে

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।

 
Developed By Khobor24ghonta Team