1. [email protected] : Abir k24 : Abir k24
  2. [email protected] : bulbul ob : bulbul ob
  3. [email protected] : Ea Shihab : Ea Shihab
  4. [email protected] : khobor : khobor 24
  5. [email protected] : admin : admin admin
  6. [email protected] : nahid islam : nahid islam
  7. [email protected] : R khan : R khan
রাজশাহীতে কোরবানির পশুর ছড়াছড়ি, কাঙ্ক্ষিত দাম নিয়ে শঙ্কা - খবর ২৪ ঘণ্টা
বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ০৫:১৬ অপরাহ্ন

রাজশাহীতে কোরবানির পশুর ছড়াছড়ি, কাঙ্ক্ষিত দাম নিয়ে শঙ্কা

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২০ মে, ২০২৬

বিশেষ প্রতিবেদক: পবিত্র ঈদুল আজহাকে ঘিরে রাজশাহীর পশুর হাটগুলোতে এখন জমে উঠেছে কেনাবেচার আমেজ। জেলার ঐতিহ্যবাহী সিটি হাটসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক পশুর বাজারে প্রতিদিনই বাড়ছে খামারি, ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের আনাগোনা। তবে বাজারে পশুর সরবরাহ তুলনামূলক বেশি হওয়ায় এখনো প্রত্যাশিত ক্রেতা দেখা না মেলায় দুশ্চিন্তায় রয়েছেন অনেক খামারি।

জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর রাজশাহীতে কোরবানির জন্য মোট ৪ লাখ ৬৩ হাজার ১১টি গবাদিপশু প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১ লাখ ৪ হাজার ৮৪১টি গরু, ৩ হাজার ৪২৫টি মহিষ, ৩ লাখ ১১ হাজার ৩৩৯টি ছাগল এবং ৪৩ হাজার ৪০৬টি ভেড়া। অন্যদিকে জেলার চাহিদা ধরা হয়েছে প্রায় ৩ লাখ ৭১ হাজার ৫৮টি পশু। সে হিসেবে প্রায় ৯২ হাজার পশু উদ্বৃত্ত থাকবে, যা দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হবে।

রাজশাহী সিটি হাট ঘুরে দেখা গেছে, সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন উপজেলা ছাড়াও আশপাশের এলাকা থেকে ট্রাকভর্তি গরু নিয়ে হাটে আসছেন ব্যবসায়ী ও খামারিরা। হাটজুড়ে পশুর উপস্থিতি থাকলেও ঈদের এখনও কয়েকদিন বাকি থাকায় ক্রেতার সংখ্যা তুলনামূলক কম। তবে ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, দু-একদিনের মধ্যেই জমে উঠবে মূল বেচাকেনা।

শুধু সিটি হাট নয়, সোনাইচাঁদী, কাঁকনহাট, দামকুড়া, সাবাই, বানেশ্বর, কাটাখালী, নওহাটা, কেশরহাট ও তেবাড়িয়া হাটেও এখন কোরবানির পশু কেনাবেচা বাড়তে শুরু করেছে। অনেক ক্রেতা আবার সরাসরি খামার কিংবা গেরস্থ বাড়িতে গিয়ে পশু পছন্দ করে আগাম বুকিং দিচ্ছেন।

খামারিদের দাবি, গো-খাদ্য ও পরিচর্যার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় এবার পশু লালন-পালনে খরচও বেড়েছে কয়েকগুণ। ফলে বাজারে ন্যায্যমূল্য না পেলে লোকসানের মুখে পড়তে হবে তাদের।

খামারি সুরেন্দ্রনাথ বলেন, প্রতি কেজি মাংসের দাম অন্তত ৮০০ টাকার মধ্যে না পেলে লাভ করা কঠিন হবে। কারণ চলতি বছর পশু পালনে আগের চেয়ে অনেক বেশি খরচ হয়েছে।

পবা উপজেলার টিকর গ্রামের খামারি রমজান আলী জানান, খাদ্য ও পরিচর্যার ব্যয় বাড়ায় উৎপাদন খরচ বেড়েছে। তাই খামারিদের স্বার্থ রক্ষায় বাজার মনিটরিং জোরদারের দাবি জানান তিনি।

এদিকে ক্রেতাদের অভিযোগ, হাটে সক্রিয় দালাল চক্র অনেক সময় কৃত্রিমভাবে পশুর দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। এতে সাধারণ ক্রেতারা বিভ্রান্ত হচ্ছেন এবং বেশি দামে পশু কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। পাশাপাশি কয়েকদিনের তীব্র গরমে হাটে আসা মানুষজনকেও ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আতোয়ার রহমান বলেন, অতীতে ভারতীয় গরুর কারণে স্থানীয় খামারিরা ক্ষতির মুখে পড়তেন। তবে এবার সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে, যাতে অবৈধভাবে গরু প্রবেশ করতে না পারে। স্থানীয় খামারিদের স্বার্থ রক্ষায় প্রশাসন কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, এ বছর রাজশাহীতে চাহিদার তুলনায় পশুর সরবরাহ বেশি থাকায় বাজার স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে পশুর হাটগুলোতে প্রশাসনের নজরদারি ও মনিটরিং কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে।

খবর২৪ঘন্টা/এসএফ

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।

Developed By Khobor24ghonta Team