
নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়তে জ্বালানি ও প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে এমন প্রস্তাব দিয়েছেন ২৫টি মার্কিন কোম্পানির ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা। তাছাড়া কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন নীতি বাস্তবায়নে সহযোগিতার আশ্বাস দেন তারা।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে সচিবালয়ে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন।
তিনি জানান, ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে নিয়ে যেতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ।
ভঙ্গুর অর্থনীতিকে জাগিয়ে তুলতে বিভিন্ন প্রণোদনা দিয়ে সরকার বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছে। সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের বৈঠক সেই প্রচেষ্টারই অংশ।
সরকার প্রধানের সঙ্গে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বৈঠক ফলপ্রসূ ও কার্যকর হয়েছে। মাহদী বলেন, আমরা বিশ্বাস করি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ যে স্বনির্ভর, সমৃদ্ধ দেশ আমরা গড়তে যাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অত্যন্ত ফলপ্রসূ এ আলোচনার মাধ্যমে আমরা সেদিকে ধাবিত হবো। দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বেসরকারি খাতের সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করার কথাও জানান তিনি।
মাহদী আমিন বলেন, অ্যাম্বাসেডর অতুল কেশাপের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ জনের প্রতিনিধিদল বিনিয়োগ আরও বাড়ানো যায়, ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণ ও অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় কীভাবে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক কীভাবে আরও স্থিতিশীল ও দীর্ঘায়িত করা যায়, কীভাবে বাংলাদেশের কর্মসংস্থান তৈরি করা যায় এবং সরকারের মেনিফেস্টোর যে পলিসিগুলো রয়েছে এগুলো বাস্তবায়নে আমেরিকার প্রাইভেট সেক্টর কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে, এগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
অপরদিকে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অতুল কেশাপও বৈঠককে ফলপ্রসূ অভিহিত করে বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়ার কথা জানান। সরকার যথাযথ বিনিয়োগের পরিবেশ নিশ্চিতের আশ্বাস দিয়েছে বলেও জানান ড. মাহদী আমিন।
কেশাপ বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করতে তারা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দর্শনে বিশ্বাস করেন। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের প্রাইভেট সেক্টর এখানে বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তি আনতে এবং বাংলাদেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এটি দারুণ একটি দেশ। আমাদের এমন কিছু আমেরিকান কোম্পানি আছে, যারা এখানে কয়েক দশক ধরে আছে এবং বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কাজ করছে।
খবর২৪ঘন্টা/মইসে
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।