
নিউজ ডেস্ক: ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) বিজয়ের পর বাংলাদেশে পুশব্যাগ ঠেকাতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন উদ্দিন আহমদ।
বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ডিসি সম্মেলনের চতুর্থ ও শেষ দিনের তৃতীয় অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। অধিবেশনটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়।
ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফ কাউকে বাংলাদেশি সন্দেহ করে সরাসরি সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ঠেলে দিলে সেটি পুশব্যাক।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিজয়ের পর বাংলাদেশে মুসলমানদের পুশব্যাক বাড়বে কি না জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা গতকালকে বিজিবিকে নির্দেশ দিয়েছি যাতে বর্ডারগুলোতে তারা অ্যালার্ট থাকে। কারণ সেই রকমের সম্ভাবনা দেখি না, যদি হয় যাতে অ্যাড্রেস করতে পারে সেজন্য আমরা আগে থেকে সতর্কতা অবলম্বন করেছি। তবে আমার মনে হয় না সেরকম কোনো ঘটনা ঘটবে।’
আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলা প্রশাসকদের কী ধরনের নির্দেশনা দিয়েছেন? জানতে চাইলে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এটা তো কমন ব্যাপার। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখা তাদের একটা প্রধানতম দায়িত্ব। সেজন্য পুলিশ ডিপার্টমেন্ট, জেলা প্রশাসন সবাই সমন্বয় করেই কাজটা করে। এবং ক্ষেত্রমতে বিচার বিভাগের সঙ্গেও তারা একটা সুসমন্বয় করে। এটা কোনো নির্দেশনার বিষয় নয়। এটা তাদের কাজের আওতা পরিধির মধ্যে একটা হারমোনিয়াস কো-অপারেশন সবার সঙ্গে রাখতে হয়। একটা সুসমন্বয় রাখা এটা তাদের নিজেদের দায়িত্ব।’
মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে আমরা জিরো টলারেন্স এজন্যই ঘোষণা করেছি যে মাদক, বিশেষ করে জুয়া অনলাইন— এগুলো বন্ধ না করতে পারলে সমাজের ব্যালেন্স নষ্ট হয়ে যাবে।
অনলাইন জুয়ার অ্যাপস তো প্রকাশ্যে চলছে- এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ব্যবস্থা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক, সিআইডি সবাই এগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে। বিষয় হচ্ছে আমরা যতই এগিয়ে যাচ্ছি, ইন্টারনেটভিত্তিক এ দুনিয়াতে প্রযুক্তি নির্ভর এ দুনিয়াতে আমরা যতই এগিয়ে যাচ্ছি ক্রাইমের ধরনটাও বিভিন্নভাবে রূপ পাল্টাচ্ছে। সেজন্য আমরা এগুলোকে অ্যাড্রেস করার জন্য একটা আইন প্রণয়নের ব্যবস্থাও গ্রহণ করব। আমরা অলরেডি একটা কমিটি করে দিয়েছি। এর আগ পর্যন্ত আমরা যেভাবে পারি সেই সাইটগুলো, সেই ওয়েবগুলো ব্লক করার চেষ্টা করছি। আর এই সমস্ত ক্রাইমগুলো তো আগে এত বিস্তৃত ছিল না, সেজন্য হয়তো আগের সরকারগুলো এভাবে অ্যাড্রেস করেনি। এখন আমাদের এটা প্রায়োরিটি, অগ্রাধিকার। জুয়া, অনলাইন জুয়া, মাদক— এগুলো আমাদের অগ্রাধিকার। এগুলো বন্ধ করতেই হবে।’
খবর২৪ঘন্টা/মইসে
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।