1. [email protected] : Abir k24 : Abir k24
  2. [email protected] : bulbul ob : bulbul ob
  3. [email protected] : Ea Shihab : Ea Shihab
  4. [email protected] : khobor : khobor 24
  5. [email protected] : অনলাইন ভার্সন : অনলাইন ভার্সন
  6. [email protected] : omor faruk : omor faruk
  7. [email protected] : R khan : R khan
তিন ধরনের ‘যুদ্ধ’ মোকাবিলা করছে দেশ: পানিসম্পদমন্ত্রী - খবর ২৪ ঘণ্টা
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২৯ অপরাহ্ন

তিন ধরনের ‘যুদ্ধ’ মোকাবিলা করছে দেশ: পানিসম্পদমন্ত্রী

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬

নিউজ ডেস্ক: পানি সম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ইদানীংকালে আমাদের তিনটা যুদ্ধ সবচেয়ে বেশি মোকাবিলা করতে হচ্ছে। একটা হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, আরেকটা বিগত সময়ে রাজনৈতিক যুদ্ধ এবং সবচেয়ে কঠিন হচ্ছে প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ৭১ বিধিতে উপস্থাপিত জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন নোটিশের সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, সুতরাং এই যে যুদ্ধটা যে কত কঠিন যারা নদীর পাড়ে থাকেন, নদীর পাড়ে যারা বসবাস করেন তারাই সবচেয়ে বেশি বোঝেন এবং উপলব্ধি করেন।

এসময় ডেপুটি স্পিকার বলেন, আমিও কমবেশি ভুক্তভোগী। আমার সুমেশ্বরী এবং কংশ দুইটার।

এরপর পানি সম্পদমন্ত্রী বলেন, সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসান যে নোটিশটি এনেছেন এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি যে সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি উত্থাপন করেছেন সিলেট জেলার জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট উপজেলার নদীভাঙন রোধকল্পে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক এবং তাকে সমর্থন করে যারা এরই মধ্যে বক্তব্য রেখেছেন, আমি সব সংসদ সদস্যকে ধন্যবাদ জানাই।

তিনি বলেন, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল সিলেট। বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের মধ্য দিয়ে দুটি নদী প্রবাহিত হয়েছে—একটি সুরমা, আরেকটি কুশিয়ারা। ভারতের বরাক নদী দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে এই নদীগুলোর সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে ভারতের মণিপুর রাজ্যের পাহাড়ি এলাকায় উৎপন্ন হয়ে বরাক নদী মিজোরাম ও আসামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলার অমরশিদ নামক স্থানে প্রবেশ করেছে। এটি একটি খরস্রোতা নদী।

তিনি আরও বলেন, উজানে ভারতের পাহাড়ি এলাকায় স্বল্প সময়ে অতিমাত্রায় বৃষ্টিপাতের কারণে ২০২২, ২০২৪ এবং ২০২৫ সালে ভয়াবহ বন্যা হয়েছে। প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করে তাদের এখনো সেখানে বসবাস করতে হচ্ছে এবং টিকে থাকতে হচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, সিলেট জেলার জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট উপজেলার নদীভাঙন রোধে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানসমূহে নদীতীর সংরক্ষণ কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সুরমা-কুশিয়ারা নদী অববাহিকার উন্নয়ন এবং বন্যা ও সমন্বিত পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা শীর্ষক প্রথম পর্যায়ের একটি প্রকল্প ডিসেম্বর ২০২৫ সালে অনুমোদিত হয়েছে। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৩ কোটি টাকা এবং এর মেয়াদ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ২০২৮ সাল পর্যন্ত।

বর্তমানে প্রকল্পটির দরপত্র আহ্বান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। প্রকল্পের আওতায় জকিগঞ্জ উপজেলায় সীমান্ত রক্ষায় ১৩টি স্থানে ৪ দশমিক ৩৩৫ কিলোমিটার এবং কানাইঘাট উপজেলায় চারটি স্থানে ১ দশমিক ৪৪০ কিলোমিটার, মোট ৫ দশমিক ৭৭৫ কিলোমিটার নদীতীর প্রতিরক্ষা কাজ বাস্তবায়নের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট উপজেলার নদীতীর অনেকাংশে সুরক্ষিত হবে। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, ঘরবাড়ি, কৃষিজমি এবং বাংলাদেশের ভূখণ্ড নদীভাঙনের কবল থেকে অনেকাংশে রক্ষা পাবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, কাজটি করতে গিয়ে আমাদের যেহেতু এটি বর্ডার লাইন, ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্ত—আমরা এরই মধ্যে বিজিবি-বিএসএফ ফ্ল্যাগ মিটিং করেছি। জয়েন্ট রিভার কমিশনে মিটিং চলছে এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, জেআরসির বাইরে ডিসি বাংলাদেশ এবং ডিসট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট ইন্ডিয়ার মধ্যে একটি কনফারেন্স মিটিংয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, খুব শিগগির এই দুইটি মিটিং হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা একটি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারব, যার ভিত্তিতে অদূর ভবিষ্যতে নির্মাণ কাজ শুরু করা সম্ভব হবে।

 

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।

Developed By Khobor24ghonta Team