1. [email protected] : Abir k24 : Abir k24
  2. [email protected] : bulbul ob : bulbul ob
  3. [email protected] : Ea Shihab : Ea Shihab
  4. [email protected] : khobor : khobor 24
  5. [email protected] : admin : admin admin
  6. [email protected] : nahid islam : nahid islam
  7. [email protected] : R khan : R khan
ওয়াসার সায়েদাবাদ প্রকল্পে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা দেবে ডেনমার্ক - খবর ২৪ ঘণ্টা
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৯ অপরাহ্ন

ওয়াসার সায়েদাবাদ প্রকল্পে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা দেবে ডেনমার্ক

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬

নিউজ ডেস্ক: ঢাকা ওয়াসার সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার প্রকল্পের শেষ পর্যায়ের কাজ শেষ করতে বাংলাদেশকে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা সহায়তা দেবে ডেনমার্ক। এর মধ্যে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা অনুদান এবং বাকি ৩ হাজার কোটি টাকা দেড় থেকে ২ শতাংশ সুদে ঋণ হিসেবে দেওয়ার কথা জানিয়েছে দেশটি।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টিয়ান ব্রিক মুলারের বৈঠক হয়। বৈঠকে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী।

মীর শাহে আলম বলেন, ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী এবং আমাদের টিমের বৈঠকে ঢাকা ওয়াসার পানি সরবরাহে বড় ধরনের বিনিয়োগের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, ঢাকা শহরে প্রতিদিন পানির চাহিদা প্রায় ৩ কোটি ২৫ লাখ লিটার। এর বিপরীতে ঢাকা ওয়াসা ভূগর্ভস্থ ও উপরিভাগের পানি মিলিয়ে প্রায় ২ কোটি ৯৫ লাখ থেকে ৩ কোটি ৫ লাখ লিটার পানি সরবরাহ করে। ফলে প্রতিদিনই কিছু ঘাটতি থেকে যায়।

প্রতিমন্ত্রী জানান, ঢাকা শহরের পানির চাহিদা পূরণে মেঘনা নদী থেকে পানি এনে সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গন্ধপুর প্রকল্প চালু হলে প্রতিদিন প্রায় ৫০ কোটি লিটার পানি ঢাকায় সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, সায়েদাবাদ প্রকল্পে মেঘনা নদী থেকে পানি এনে ট্রিটমেন্ট প্লান্টের মাধ্যমে শোধন করে ঢাকা শহরে সরবরাহ করা হবে। এই প্রকল্প থেকে প্রতিদিন ৯৫ কোটি লিটার পানি পাওয়া যাবে।

মীর শাহে আলম জানান, সায়েদাবাদ প্রকল্পের মোট ব্যয় প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা। ২০১৫ সালে শুরু হওয়া প্রকল্পটির কাজ ২০৩০ সালের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য ছিল। তবে সরকার নির্ধারিত সময়ের আগেই, ২০২৯ সালের মধ্যে প্রকল্পটি শেষ করতে চায় সরকার।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটির প্রায় ১১ থেকে ১২ হাজার কোটি টাকার কাজ এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। শেষ পর্যায়ের কাজ সম্পন্ন করতে ডেনমার্ক সরকার প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা সহায়তা করবে। এর মধ্যে দেড় হাজার কোটি টাকা অনুদান এবং প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা সফট লোন হিসেবে দেওয়া হবে। ঋণের সুদের হার হবে দেড় থেকে ২ শতাংশ এবং ২০ বছর মেয়াদে তা পরিশোধ করতে হবে।

এছাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পানি শোধন, পানি সরবরাহসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে ডেনমার্ক প্রায় ১০০ কোটি টাকা সহায়তা করছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

বৈঠকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশে সৌরবিদ্যুৎ খাতে কাজ করতে ডেনমার্ক আগ্রহ দেখিয়েছে। পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিনিয়োগের বিষয়েও দেশটির সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই করে সহযোগিতার ক্ষেত্র নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছে ডেনমার্ক।

ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমাতে নতুন উদ্যোগ
ঢাকা শহরে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমাতে লবণাক্ত পানি শোধনের বড় প্রকল্প নেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বর্তমানে ঢাকা ওয়াসার সরবরাহ করা পানির প্রায় ৭৪ শতাংশ ভূগর্ভস্থ এবং ২৪ শতাংশ উপরিভাগের পানি থেকে আসে। আন্তর্জাতিকভাবে একটি শহরে ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার ৩০ শতাংশের মধ্যে রাখার কথা বলা হয়।

মীর শাহে আলম বলেন, আমরা যদি এভাবে ভূগর্ভস্থ পানি তুলতে থাকি, তাহলে জলবায়ু পরিবর্তনসহ পরিবেশের ওপর বড় ধরনের প্রভাব পড়বে।

তিনি জানান, লবণাক্ত পানি শোধন করে ব্যবহারের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। চাঁদপুর ও মোংলাসহ সমুদ্রের কাছাকাছি দুটি পয়েন্টে এ ধরনের বড় প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে।

এ জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়নে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ সহযোগিতা করবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, লবণাক্ত পানি শোধন করে যে পানি পাওয়া যাবে, তা গ্যাস বা বিদ্যুতের জাতীয় গ্রিডের মতো পাইপলাইনের মাধ্যমে সারা দেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। গ্যাস যদি দেওয়া সম্ভব হয়, তাহলে পানিও সারা দেশে দেওয়া অসম্ভব কিছু নয়, ইনশাআল্লাহ।

খবর২৪ঘন্টা/মইসে

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।

 
Developed By Khobor24ghonta Team