1. [email protected] : Abir k24 : Abir k24
  2. [email protected] : bulbul ob : bulbul ob
  3. [email protected] : Ea Shihab : Ea Shihab
  4. [email protected] : khobor : khobor 24
  5. [email protected] : অনলাইন ভার্সন : অনলাইন ভার্সন
  6. [email protected] : nahid islam : nahid islam
  7. [email protected] : R khan : R khan
খরচের অর্ধেক দামে পেঁয়াজ বিক্রি - খবর ২৪ ঘণ্টা
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০০ পূর্বাহ্ন

খরচের অর্ধেক দামে পেঁয়াজ বিক্রি

ন্যায্যমূল্যের দাবি জানিয়েছে কৃষকরা

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬
oppo_2

দুর্গাপুর (রাজশাহী) প্রতিনিধি : রাজশাহীর দুর্গাপুরসহ চলতি মৌসুমে পেঁয়াজের ভালো ফলন হলেও বাজারে ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছেন এ অঞ্চলের কৃষকরা। উৎপাদন খরচ বেশি হলেও বর্তমানে কম দামে পেঁয়াজ বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, মৌসুমের শুরুতে কিছুটা ভালো দাম পাওয়া গেলেও এখন বাজারে দাম কমে যাওয়ায় চরম হতাশা বিরাজ করছে। এতে অনেক কৃষক লোকসানের আশঙ্কায় পড়েছেন। তারা জানান সামনে নতুন (আলের) পেঁয়াজ বাজারে আসবে তখন দাম আরও তলানিতে নামবে। তাই সরকারিভাবে বাজার তদারকি জোরদার ও কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।

উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমের দুর্গাপুর উপজেলায় মুড়িকাটা পেঁয়াজের চাষ হয়েছে ১৪৯৫ হেক্টর জমিতে। যার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ হাজার ৪১৫ মেট্রিকটন। পাশাপাশি নতুন (আলের) পেঁয়াজ ২১৯০ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে। এই পেয়াজ বছর ধরে সংরক্ষণে রাখা যায়। কৃষকরা পর্যায়ক্রমে বাজারে বিক্রি করতে পারে ।

বুধবার (১১ মার্চ) উপজেলা সদর সিংগা হাট ঘুরে দেখা যায়, মান ভেদে মুড়িকাটা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি মণ ৬০০ থেকে ৭০০ টাকায়। বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় পাইকাররা কম দামে পেঁয়াজ কিনছেন।

কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে পেঁয়াজ চাষে বীজ, সার,কীটনাশক, সেচ ও শ্রমিক খরচ বেড়ে যাওয়ায় প্রতি বিঘা জমিতে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে। কিন্তু বর্তমান বাজার দামে বিক্রি করে সেই খরচ তোলা কঠিন হয়ে পড়েছে।

উপজেলার রৈপাড়া গ্রামের পেঁয়াজ চাষি এনামুল হক জানান, ভালো ফলনের আশায় এবার বেশি জমিতে পেঁয়াজ আবাদ করেছিলেন। কিন্তু বাজারে দাম কম থাকায় তারা হতাশ হয়ে পড়েছেন। অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে কম দামে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন।

আরেক কৃষক হুমায়ুন বলেন,“ভালো ফলনের আশা নিয়ে জমিতে পেঁয়াজ আবাদ করেছিলাম। কিন্তু বাজারে দাম কম থাকায় এখন লোকসানের মুখে পড়েছি। যদি দাম না বাড়ে তাহলে আগামীতে পেঁয়াজ চাষ করা কঠিন হয়ে যাবে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী শাহারুদ্দিন বলেন,“এখন বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ অনেক বেশি। কৃষকরা একসঙ্গে বেশি পরিমাণে পেঁয়াজ হাটে নিয়ে আসায় দাম কিছুটা কমে গেছে। তবে বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সামনে দাম কিছুটা বাড়তে পারে।”

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাহানা পারভীন লাবনী বলেন,“এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় মুড়িকাটা পেঁয়াজের ভালো ফলন হয়েছে। বাজারে সরবরাহ বেশি থাকায় দাম কিছুটা কম রয়েছে। তবে বাজার পরিস্থিতি পর্যেবক্ষণে রাখা হয়েছে এবং কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা দিতে আমরা কাজ করছি।

এদিকে স্থানীয় কৃষকদের দাবি, বাজার তদারকি বাড়ানো এবং কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। তা না হলে আগামী মৌসুমে অনেক কৃষককে পেঁয়াজ চাষ থেকে সরে দাঁড়াতে হবে।

না/জ

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।

Developed By Khobor24ghonta Team