1. [email protected] : Abir k24 : Abir k24
  2. [email protected] : bulbul ob : bulbul ob
  3. [email protected] : Ea Shihab : Ea Shihab
  4. [email protected] : khobor : khobor 24
  5. [email protected] : admin : admin admin
  6. [email protected] : nahid islam : nahid islam
  7. [email protected] : R khan : R khan
পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের বাড়ি তৈরি করে দেবে সরকার - খবর ২৪ ঘণ্টা
বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৮ অপরাহ্ন

পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের বাড়ি তৈরি করে দেবে সরকার

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬
সংসদে কথা বলছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু/ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক: পাহাড় ধসে প্রাণহানি ঠেকাতে পাহাড়ের নিচে ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারীদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে বাড়ি বানিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। সরকারি এই উদ্যোগে সহায়তার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার সংসদ সদস্যদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের ২২তম দিন ৩০০ বিধিতে দেওয়া বিবৃতিতে এ তথ্য জানান মন্ত্রী। স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।

মন্ত্রী বিবৃতিতে বলেন, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানসহ বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে পাহাড় ধসের কারণে বেশ কিছু প্রাণহানি ঘটেছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামে ৫ জন, কক্সবাজারে ১৯ জন, রাঙ্গামাটিতে একজন এবং বান্দরবানে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে দ্রুত ওই এলাকাগুলোতে এরই মধ্যে বিপুল সংখ্যক আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামে ৪১টি, কক্সবাজারে ৬৪০টি, রাঙ্গামাটিতে ২১টি, খাগড়াছড়িতে ১৩৫টি এবং বান্দরবানে ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে হাজার হাজার মানুষ নিরাপদ আশ্রয় নিয়েছেন। সেখানে আশ্রিত লোকজনের জন্য সুপেয় পানি, স্যানিটেশন, শিশু খাদ্য এবং তিনবেলা খাবারের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে চলে আসার জন্য মাঠপর্যায়ে মাইকিং অব্যাহত রাখা হয়েছে।

বিবৃতিতে মন্ত্রী আরও জানান, গত ৭ জুলাই দুর্গত এলাকার সাহায্যের জন্য প্রথম দফায় প্রতিটি জেলায় ১০ লাখ টাকা জিআর ক্যাশ এবং ২০০ মেট্রিক টন করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। পরিস্থিতি বিবেচনায় মন্ত্রণালয় থেকে নতুন করে চট্টগ্রামে ২৫ লাখ টাকা, কক্সবাজারে ২০ লাখ টাকা এবং রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে ১০ লাখ টাকা করে আর্থিক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, একই সঙ্গে চট্টগ্রামে ৩০০ মেট্রিক টন, কক্সবাজারে ২৫০ মেট্রিক টন এবং রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে ২০০ মেট্রিক টন করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে প্রধানমন্ত্রী নিজস্ব ত্রাণ ভাণ্ডার থেকে প্রতিটি জেলায় ২০ লাখ টাকা করে বিশেষ বরাদ্দ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় মন্ত্রণালয়ের সচিব সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে অবস্থান করছেন এবং জেলা ও উপজেলা প্রশাসন সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

সংসদ অধিবেশন মূলতবি থাকার সুযোগে পাহাড়ি অঞ্চলের সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে ত্রাণ কার্যক্রম তদারকি এবং প্রয়োজনে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানান আসাদুল হাবিব দুলু।

তিনি বলেন, পাহাড়ের নিচে বা ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে প্রতিবছর যে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে, তা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা প্রয়োজন। সরকারের হাতে অনেক পরিত্যক্ত খাস জমি এবং আবাসনের জন্য মন্ত্রণালয়ের জমি রয়েছে। সংসদ সদস্যরা যদি স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা তৈরি করে ভূমিকা রাখেন, তবে ঝুঁকিপূর্ণ বাসিন্দাদের সেসব নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে পুনর্বাসন ও বাড়ি বানিয়ে দিতে সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত। ভবিষ্যতে যাতে পাহাড় ধসে আর একটিও প্রাণহানি না ঘটে, সেজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

খবর২৪ঘন্টা/মইসে

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।

 
Developed By Khobor24ghonta Team