1. [email protected] : Abir k24 : Abir k24
  2. [email protected] : bulbul ob : bulbul ob
  3. [email protected] : Ea Shihab : Ea Shihab
  4. [email protected] : khobor : khobor 24
  5. [email protected] : admin : admin admin
  6. [email protected] : nahid islam : nahid islam
  7. [email protected] : R khan : R khan
মাদকের ৮০ হাজার মামলা বিচারাধীন, পৃথক ট্রাইব্যুনাল গঠনের উদ্যোগ - খবর ২৪ ঘণ্টা
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ন

মাদকের ৮০ হাজার মামলা বিচারাধীন, পৃথক ট্রাইব্যুনাল গঠনের উদ্যোগ

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬

নিউজ ডেস্ক: দেশে মাদকসংক্রান্ত প্রায় ৮০ হাজার মামলা বিচারাধীন থাকায় বিচারপ্রক্রিয়া দীর্ঘসূত্রতায় পড়ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেন, এই জট কমাতে মাদক মামলার জন্য পৃথক ট্রাইব্যুনাল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

পরে দিবসটি উপলক্ষে নির্বাচিত বেসরকারি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রগুলোর মধ্যে সরকারি অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিদ্যমান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন দিয়ে কার্যকরভাবে মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই করা যাচ্ছে না। মাদক কারবারিদের অনেকেরই সশস্ত্র গ্রুপ রয়েছে, অথচ অভিযানে যাওয়া অধিদপ্তরের পরিদর্শকদের কাছে কোনো অস্ত্র নেই।

এ পরিস্থিতিকে তিনি ‘ঢাল-তলোয়ারবিহীন নিধিরাম সর্দারের’ সঙ্গে তুলনা করেন।

মন্ত্রী বলেন, মাদক শনাক্তকরণে পর্যাপ্ত পরীক্ষাগার নেই। ফলে জব্দ হওয়া মাদকের দ্রুত পরীক্ষা ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতেও সমস্যা হচ্ছে। অন্যদিকে মামলা পরিচালনায় বিদ্যমান আদালতগুলোকে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের আধুনিক অস্ত্র, ডগ স্কোয়াড, হাজতখানা ও পরিবহন সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমানে দেশে প্রায় ৮০ হাজার মাদক মামলা বিচারাধীন। এর মধ্যে ঢাকায় প্রায় ১৮ হাজার এবং চট্টগ্রামে প্রায় ৩৯ হাজার মামলা রয়েছে।

তিনি বলেন, মামলার জটের কারণে অনেক ক্ষেত্রে আসামিরাই সুবিধা পাচ্ছেন। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় মাদক মামলার জন্য পৃথক ট্রাইব্যুনাল গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এখতিয়ারসম্পন্ন বিদ্যমান আদালতগুলোও মামলা বিচার করবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতারের পর থানায় হস্তান্তরের আগে রাখার জন্য অধিদপ্তরের নিজস্ব কোনো হাজতখানা নেই।

সংশোধিত আইনে হাজতখানা নির্মাণ, পরিবহন সুবিধা, ডগ স্কোয়াড এবং আধুনিক অস্ত্র সরবরাহের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। এসব সক্ষমতা বৃদ্ধির পর আরও জোরালো অভিযান পরিচালনা করা হবে।

তিনি জানান, বিদ্যমান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন ও আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সংশোধনী বিল জাতীয় সংসদে তোলা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অপরাধের ধরন বদলে গেছে। এখন অনলাইনে মাদক কেনাবেচা হচ্ছে, সেই অর্থ অবৈধ পথে পাচার হচ্ছে এবং মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে সম্পদ অর্জন করা হচ্ছে। এসব অপরাধ মোকাবিলায় শক্তিশালী আইনি কাঠামো গড়ে তোলা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, মাদক আইন সংস্কারের পাশাপাশি মানি লন্ডারিং, সাইবার অপরাধসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইনও আধুনিকায়ন করা হবে। এসব আইনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে। শক্তিশালী আইনি ভিত্তি ছাড়া আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকরভাবে লড়াই করা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

খবর২৪ঘন্টা/এসএফ

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।

 
Developed By Khobor24ghonta Team