
নিজস্ব প্রতিবেদক: বগুড়ায় মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস-২০২৬ উপলক্ষে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মাদকবিরোধী টেলিভিশন বিজ্ঞাপন (টিভিসি), প্রামাণ্যচিত্র ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় জেলার তথ্য অফিসের আয়োজনে নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) বগুড়ার সহযোগিতা ছিল।
এসময় উপস্থিত সাধারণ মানুষ, পরিবহন শ্রমিক, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মাদকবিরোধী বিভিন্ন সচেতনতামূলক ভিডিওচিত্র উপভোগ করেন। প্রদর্শিত প্রামাণ্যচিত্র ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে মাদকের ভয়াবহতা, সামাজিক ও পারিবারিক ক্ষতি, যুবসমাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব এবং মাদক প্রতিরোধে সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) বগুড়ার উপপরিচালক জিললুর রহমান বলেন, “মাদক শুধু একজন ব্যক্তির জীবনকে ধ্বংস করে না, এটি একটি পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রের অগ্রযাত্রাকেও বাধাগ্রস্ত করে। মাদকের করাল গ্রাস থেকে নতুন প্রজন্মকে রক্ষা করতে হলে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। সচেতনতা সৃষ্টি ছাড়া মাদক নির্মূল সম্ভব নয়।”
তিনি আরও বলেন, “বর্তমান সময়ে তরুণ সমাজকে লক্ষ্য করে নানা কৌশলে মাদক ছড়িয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা চলছে। এ পরিস্থিতিতে অভিভাবকদের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। সন্তানদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলে তাদের চলাফেরা, বন্ধু নির্বাচন এবং দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডের প্রতি নজর রাখতে হবে। একই সঙ্গে যুবসমাজকে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও সৃজনশীল কাজে সম্পৃক্ত করতে পারলে তারা মাদকের ভয়াল থাবা থেকে দূরে থাকবে।”
জিললুর রহমান বলেন, “সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। তবে শুধুমাত্র আইন প্রয়োগের মাধ্যমে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন ব্যাপক গণসচেতনতা। তথ্যচিত্র, নাটক, চলচ্চিত্র ও গণমাধ্যমের মাধ্যমে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা গেলে মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন আরও শক্তিশালী হবে।”
তিনি সকলকে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আসুন, আমরা প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হই এবং একটি সুস্থ, সুন্দর ও মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখি।”
অনুষ্ঠান শেষে মাদকবিরোধী বার্তা সম্বলিত বিভিন্ন সচেতনতামূলক ভিডিও ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে দর্শকদের মাঝে মাদক প্রতিরোধে ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।
মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সচেতনতার বিকল্প নেই: উপপরিচালক জিললুর রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক: বগুড়ায় মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস-২০২৬ উপলক্ষে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মাদকবিরোধী টেলিভিশন বিজ্ঞাপন (টিভিসি), প্রামাণ্যচিত্র ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় জেলার তথ্য অফিসের আয়োজনে নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) বগুড়ার সহযোগিতা ছিল।
এসময় উপস্থিত সাধারণ মানুষ, পরিবহন শ্রমিক, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মাদকবিরোধী বিভিন্ন সচেতনতামূলক ভিডিওচিত্র উপভোগ করেন। প্রদর্শিত প্রামাণ্যচিত্র ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে মাদকের ভয়াবহতা, সামাজিক ও পারিবারিক ক্ষতি, যুবসমাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব এবং মাদক প্রতিরোধে সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) বগুড়ার উপপরিচালক জিললুর রহমান বলেন, “মাদক শুধু একজন ব্যক্তির জীবনকে ধ্বংস করে না, এটি একটি পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রের অগ্রযাত্রাকেও বাধাগ্রস্ত করে। মাদকের করাল গ্রাস থেকে নতুন প্রজন্মকে রক্ষা করতে হলে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। সচেতনতা সৃষ্টি ছাড়া মাদক নির্মূল সম্ভব নয়।”
তিনি আরও বলেন, “বর্তমান সময়ে তরুণ সমাজকে লক্ষ্য করে নানা কৌশলে মাদক ছড়িয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা চলছে। এ পরিস্থিতিতে অভিভাবকদের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। সন্তানদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলে তাদের চলাফেরা, বন্ধু নির্বাচন এবং দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডের প্রতি নজর রাখতে হবে। একই সঙ্গে যুবসমাজকে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও সৃজনশীল কাজে সম্পৃক্ত করতে পারলে তারা মাদকের ভয়াল থাবা থেকে দূরে থাকবে।”
জিললুর রহমান বলেন, “সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। তবে শুধুমাত্র আইন প্রয়োগের মাধ্যমে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন ব্যাপক গণসচেতনতা। তথ্যচিত্র, নাটক, চলচ্চিত্র ও গণমাধ্যমের মাধ্যমে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা গেলে মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন আরও শক্তিশালী হবে।”
তিনি সকলকে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আসুন, আমরা প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হই এবং একটি সুস্থ, সুন্দর ও মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখি।”
অনুষ্ঠান শেষে মাদকবিরোধী বার্তা সম্বলিত বিভিন্ন সচেতনতামূলক ভিডিও ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে দর্শকদের মাঝে মাদক প্রতিরোধে ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।
খবর২৪ঘন্টা/মইসে
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।