খবর২৪ঘণ্টা.কম, ডেস্ক: সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে একটি জলমহালের দখল নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে মজনু মিয়া (৬০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের টাংনি জলমহালে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চারজন।
নিহত মজনু মিয়া উপজেলার তেতৈয়া গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, তেতৈয়া গ্রামের বাসিন্দা কুলঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান ও কুলঞ্জ গ্রামের ডুনেল মিয়ার মধ্যে টাংনি জলমহালের দখল নিয়ে বিরোধ ছিল। এর জের ধরে আজ সকালে উভয় পক্ষের লোকজন জলমহালে গেলে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে উভয় পক্ষের লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই নিহত হন মুজিবুর রহমানের পক্ষের মজনু মিয়া।
এ সময় আহত হন আবদুর রহিম (৫০), সাহেদ আলী (২৫), সুপার মিয়া (৩৫) ও নাজমুল আলম (২৫)। তাদের দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান জানান, জলমহালের পাশে তার মালিকানাধীন কিছু জমি আছে। ওই জমিতে তার লোকজন যাওয়ার পর প্রতিপক্ষের লোকজন হামলা চালিয়ে মনজু মিয়াকে হত্যা করেছে।
তবে ডুনেল মিয়া জানান, জলমহালটি তারা ইজারা নিয়েছেন। কিন্তু মুজিবুর রহমানের পক্ষের লোকজন জোর করে মাছ ধরতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এ সময় হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মজনু মিয়া মারা গেছেন বলে তিনি দাবি করেন।
এ বিষয়ে দিরাই থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
খবর২৪ঘণ্টা.কম/নজ