1. [email protected] : Abir k24 : Abir k24
  2. [email protected] : bulbul ob : bulbul ob
  3. [email protected] : Ea Shihab : Ea Shihab
  4. [email protected] : khobor : khobor 24
  5. [email protected] : admin : admin admin
  6. [email protected] : nahid islam : nahid islam
  7. [email protected] : R khan : R khan
লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ ইউনিট, খোঁজ দিলে ২ লাখ টাকা পুরস্কার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী - খবর ২৪ ঘণ্টা
শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪০ অপরাহ্ন

লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ ইউনিট, খোঁজ দিলে ২ লাখ টাকা পুরস্কার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬

নিউজ ডেস্ক: লুট হওয়া ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ ইউনিট গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে অস্ত্র উদ্ধারে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

শনিবার (২৯ আগস্ট) রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে আয়োজিত ‘ত্রৈমাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা’ শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশ সুপার, ডিআইজি, পুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত আইজিপি, আইজিপিসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রধানদের নিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, পুলিশের বিভিন্ন সমস্যা, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। পুলিশ বাহিনীকে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী আরও জনবান্ধব ও দক্ষ বাহিনীতে পরিণত করতে কাজ চলছে।

তিনি বলেন, লুট হওয়া ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের জন্য বিশেষ একটি ইউনিট গঠন করা হয়েছে। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তা নিয়ে ইউনিটটি এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছে। কার্যক্রম আরও জোরদার করতে সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

অস্ত্র উদ্ধারে তথ্যদাতাদের পুরস্কারের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, হেভি ওয়েপনস উদ্ধারে সহযোগিতা বা তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার দেওয়া হবে। পিস্তল, রিভলভার, শটগানসহ এ ধরনের অস্ত্র উদ্ধারে তথ্য দিলে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত পুরস্কার দেওয়া হবে।

এছাড়া সাউন্ড গ্রেনেড, লুট হওয়া টিয়ারগ্যাস সেলসহ অন্যান্য লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে সহযোগিতা করলে ক্ষেত্রবিশেষে ১০ হাজার, ১৫ হাজার ও ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত পুরস্কার দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, সারাদেশে অবৈধ ও লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চলছে। পাশাপাশি মাদক, চোরাচালান, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে। এসব কার্যক্রমে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তথ্য সহায়তা নেওয়া হবে।

চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও মাদক নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমরা সময়সীমা বেঁধে দিয়েছি। যে সমস্ত কর্মকর্তা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে অগ্রগতি দেখাতে পারবেন না তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেই সময়সীমা এখনও শেষ হয়নি।

অস্ত্র উদ্ধারে তথ্যদাতাদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তথ্যদাতাদের পরিচয় গোপন রাখা হবে। পরিচয় গোপন রাখা না হলে মানুষ কেন তথ্য দিতে যাবে?

সম্প্রতি বাতিল হওয়া অস্ত্রের লাইসেন্স প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেসব অস্ত্র জমা দেওয়া হয়নি সেগুলো এরই মধ্যে অবৈধ অস্ত্র হিসেবে গণ্য হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

সীমান্ত পার হয়ে কিছু অস্ত্র অন্য দেশে চলে যাওয়ার বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অন্য দেশের সীমান্তে গিয়ে বাংলাদেশের পুলিশ অভিযান চালাতে পারবে না। তবে দেশের ভেতরে থাকা অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হবে।

তিনি আরও বলেন, অস্ত্র, মাদক, চোরাচালান, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে চলমান কার্যক্রম আরও জোরদার করতে নতুন কিছু কৌশল প্রণয়ন করা হয়েছে। তবে কৌশলগুলো এখনই প্রকাশ করা হবে না। খুব শিগগির এসব ক্ষেত্রে সফলতা আসবে।

খবর২৪ঘন্টা/মইসে

 

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।

 
Developed By Khobor24ghonta Team