1. [email protected] : Abir k24 : Abir k24
  2. [email protected] : bulbul ob : bulbul ob
  3. [email protected] : Ea Shihab : Ea Shihab
  4. [email protected] : khobor : khobor 24
  5. [email protected] : admin : admin admin
  6. [email protected] : nahid islam : nahid islam
  7. [email protected] : R khan : R khan
বাবার স্মৃতিচারণ করে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী - খবর ২৪ ঘণ্টা
সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০৬:৪৭ অপরাহ্ন

বাবার স্মৃতিচারণ করে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬

নিউজ ডেস্ক: শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় সৌদি আরবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নিমগাছ রোপণের স্মৃতিচারণ করে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, পরিবেশ রক্ষা, জলবায়ুর ভারসাম্য বজায় রাখা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য দেশ গড়ে তুলতে সবাইকে বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে।

সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে দেশের ২৯ হাজারেরও বেশি মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবায়দা রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও উপদেষ্টা মাহদী আমিন উপস্থিত ছিলেন।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী একটি নিমগাছ রোপণ করেন। এ সময় তিনি সৌদি আরবের আরাফাতের ময়দানে নিমগাছ রোপণের ইতিহাস তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ আমরা নিমগাছ রোপণ করলাম। আরাফাতের ময়দানে এখন অসংখ্য নিমগাছ দেখা যায়। কিন্তু ৪০ থেকে ৫০ বছর আগে সেখানে কোনো গাছ ছিল না, ছিল শুধু ফাঁকা মরুভূমি।

তিনি বলেন, ১৯৭৮ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ওমরাহ পালনকালে আরাফাতের ময়দান পরিদর্শনে গিয়ে সেখানে গাছ না থাকার বিষয়টি লক্ষ্য করেন। পরে সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বাংলাদেশ থেকে এক লাখ নিমগাছের চারা পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রী জানান, পরে সেই চারা থেকে কলম তৈরি করে লাখ লাখ নিমগাছ রোপণ করা হয়। বর্তমানে আরাফাতের বিস্তীর্ণ এলাকায় নিমগাছ ছায়া দিয়ে যাচ্ছে। সৌদি আরবের অনেক মানুষ এই গাছকে ‘জিয়া ট্রি’ নামেও চেনে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি চাই তোমরা যত বছর বাঁচবে, প্রতি বছর অন্তত একটি করে গাছ রোপণ করবে। গাছ যখন বড় হবে, তখন সেটিকে নিজের বন্ধুর মতো মনে হবে।’

তিনি শিক্ষার্থীদের গাছ লাগাতে উৎসাহিত করার জন্য শিক্ষকদেরও আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্ষাকাল শুরু হলেও প্রত্যাশিত বৃষ্টি হচ্ছে না। ৪০-৪৫ বছর আগে বর্ষাকালে টানা সপ্তাহজুড়ে বৃষ্টি হতো। এখন সেই বৃষ্টি অনেক কমে গেছে। এর অন্যতম কারণ নির্বিচারে গাছ কেটে ফেলা।

তিনি বলেন, গাছ কমে যাওয়ায় প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে এবং পরিবেশ ক্রমেই উষ্ণ হয়ে উঠছে। তাই পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে প্রতি বর্ষা মৌসুমে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশে যত বেশি গাছ বাড়বে, পরিবেশ তত শীতল হবে। পরিবেশ ঠান্ডা হলে আমাদের জীবনও হবে আরও স্বস্তিদায়ক।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত পাঁছ বছরে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে প্রতিটি শিশুকে প্রতি বছর অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির অংশ হিসেবেও এই সবুজায়ন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী পাঁচ বছরে দেশের স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় মোট ৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষাঙ্গনে সবুজ পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা ও প্রকৃতি সংরক্ষণের মানসিকতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই কর্মসূচি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ বাংলাদেশ গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

খবর২৪ঘন্টা/মইসে

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।

 
Developed By Khobor24ghonta Team