1. [email protected] : Abir k24 : Abir k24
  2. [email protected] : bulbul ob : bulbul ob
  3. [email protected] : Ea Shihab : Ea Shihab
  4. [email protected] : khobor : khobor 24
  5. [email protected] : admin : admin admin
  6. [email protected] : nahid islam : nahid islam
  7. [email protected] : R khan : R khan
শেখ হাসিনা আমাদের শান্তিতে থাকতে দেবেন, এটা আমরা বিশ্বাস করি না: তথ্য উপদেষ্টা - খবর ২৪ ঘণ্টা
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:১৯ অপরাহ্ন

শেখ হাসিনা আমাদের শান্তিতে থাকতে দেবেন, এটা আমরা বিশ্বাস করি না: তথ্য উপদেষ্টা

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬

নিউজ ডেস্ক: আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমানে স্বাভাবিক রাজনৈতিক তৎপরতা চালানোর অবস্থায় নেই। তবে দলটির নেতাকর্মীদের কাছে বিপুল অর্থসম্পদ রয়েছে। সেই অর্থ ব্যবহার করে দেশের কোথাও কোথাও নাশকতা বা অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন ডা. জাহেদ উর রহমান।

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, এ ধরনের তৎপরতার সঙ্গে সাম্প্রতিক পোশাকশিল্পের সহিংসতার যোগসূত্র থাকতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। তবে শেখ হাসিনার সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তনের জন্য ডিসেম্বরে বিশেষ কোনো পরিস্থিতি তৈরির উদ্দেশ্যে এসব ঘটনা ঘটানো হচ্ছে, এমন বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন তথ্য উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, ‘ডিসেম্বর আসুক, ডিসেম্বর শেষ হোক। এরপর আমরা নিশ্চয়ই আবার এ কথা বলবো।’

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা যদি সত্যিই ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আসেন, তাহলে নিজের পূর্ববর্তী মূল্যায়ন ভুল ছিল বলে স্বীকার করবেন এবং ক্ষমাও চাইবেন।

এ প্রসঙ্গে ১৯৯১ সালের নির্বাচনের পর শেখ হাসিনার রাজনৈতিক অবস্থানের কথা উল্লেখ করে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ওই নির্বাচনে পরাজয়ের পর শেখ হাসিনা তৎকালীন সরকারকে একদিনের জন্যেও শান্তিতে থাকতে না দেওয়ার কথা বলেছিলেন।

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘১৯৯১ সালে তিনি যদি ওই কথা বলতে পারেন, তাহলে এখন আমাদের শান্তিতে থাকতে দেবেন, এটা আমরা বিশ্বাস করি না।’ তিনি মনে করেন, শেখ হাসিনা ভবিষ্যতেও সরকারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চালাতে পারেন। তবে সরকার এ ধরনের প্রচেষ্টা প্রতিহত করবে।

শেখ হাসিনা নিজে ফিরুন বা ফিরিয়ে আনা হোক, সরকারের চাওয়া একই

শেখ হাসিনার সম্ভাব্য দেশে ফেরা নিয়ে এক প্রশ্নে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সরকার তার দেশে ফেরার পথ বন্ধ করতে চাইছে না। বরং তাকে দেশে ফিরিয়ে আনাই সরকারের লক্ষ্য। তিনি বলেন, ‘উনি নিজে আসুন অথবা আমরা উনাকে ধরে নিয়ে আসি, আমাদের চাওয়া তো একই।’

শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেও এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের নাগরিক। তিনি স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে চাইলে সরকার কী পদক্ষেপ নেবে, তা সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতি তৈরি হলে বিবেচনা করা হবে।

এ বিষয়ে আগাম সব সিদ্ধান্ত নির্ধারণ করে রাখা হয়নি বলেও জানান তিনি।

বিরোধীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, শেখ হাসিনার শাসনামলে বিরোধীদের বিরুদ্ধে যেভাবে অভিযোগ আনা হতো, বর্তমান সরকারের বক্তব্যকে একইভাবে দেখা ঠিক হবে না।

তিনি বলেন, একটি স্বৈরাচারী সরকার এবং একটি গণতান্ত্রিক সরকারের আচরণের মধ্যে পার্থক্য থাকবে। সরকারের বক্তব্য মিথ্যা প্রমাণিত হলে তার পরিণতিও সরকারকে বহন করতে হবে। সে কারণেই তথ্যের ভিত্তিতে বক্তব্য দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

আন্দোলন দমনে আগের মতো বলপ্রয়োগ করতে চায় না সরকার

পোশাকশিল্পের অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, পুলিশকে এমনভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষের ক্ষয়ক্ষতি ও ভোগান্তি সর্বনিম্ন পর্যায়ে থাকে। শেখ হাসিনার সরকারের সময় আন্দোলন দমনে যেভাবে শক্তি প্রয়োগ করা হতো, বর্তমান সরকার সেই পদ্ধতিতে যেতে চায় না।

তিনি বলেন, পুলিশের বলপ্রয়োগের আইনি ক্ষমতা রয়েছে। বিশেষ পরিস্থিতিতে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের প্রশ্নও আসতে পারে। কিন্তু সব ক্ষেত্রেই আইনের বিধান, পরিস্থিতির প্রয়োজনীয়তা এবং আনুপাতিক বলপ্রয়োগের নীতি অনুসরণ করতে হবে। তথ্য উপদেষ্টা বলেন, আন্দোলনে যারা অংশ নিচ্ছেন, তারা সবাই রাষ্ট্রের নাগরিক। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার সময় এ বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যে পোশাকশিল্পের চলমান অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে আসবে।

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, প্রকৃত শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির কারণে আন্দোলনের যে প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে, মজুরি বোর্ড গঠনের বিষয়টি তাদের বোঝানো সম্ভব হলে আন্দোলন থেকে তারা সরে আসবেন। তখন অন্য কোনো গোষ্ঠীর পক্ষে সেই আন্দোলনকে ব্যবহার করে সহিংসতা চালানো কঠিন হয়ে পড়বে।

খবর২৪ঘন্টা/মইসে

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।

 
Developed By Khobor24ghonta Team