1. [email protected] : Abir k24 : Abir k24
  2. [email protected] : bulbul ob : bulbul ob
  3. [email protected] : Ea Shihab : Ea Shihab
  4. [email protected] : khobor : khobor 24
  5. [email protected] : অনলাইন ভার্সন : অনলাইন ভার্সন
  6. [email protected] : omor faruk : omor faruk
  7. [email protected] : R khan : R khan
ডা. সাবরিনা ও আরিফুলের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ - খবর ২৪ ঘণ্টা
শুকরবার, ১০ জানয়ারী ২০২৫, ০৪:৫৩ অপরাহ্ন

ডা. সাবরিনা ও আরিফুলের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৪ জুলা, ২০২০

খবর২৪ঘন্টা নিউজ ডেস্ক: জেকেজি হেলথকেয়ার ও ওভাল গ্রুপের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী ও এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিএফও) আরিফুল চৌধুরীসহ তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সব ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ (অবরুদ্ধ) করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অধীন বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) থেকে সব ব্যাংকে চিঠি দিয়ে এই নির্দেশনা দেয়া হয়। আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এ সংক্রান্ত তথ্য বিএফআইইউতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বিএফআইইউ সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, জেকেজি হেলথকেয়ার ও ওভাল গ্রুপর চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা শারমিন হোসেন ও এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল চৌধুরী এবং তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সকল ব্যাংক হিসাব ৩০ দিনের জন্য জব্দ থাকবে। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ এর (২৩) (১) (গ) ধারার প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশ প্রদান করা হলো। এর আগে, রবিবার তাদের ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ ও তথ্য-উপাত্ত চেয়ে চিঠি দিয়েছিল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এর কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি)।

প্রসঙ্গত, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী ও গাজীপুরসহ বিভিন্ন স্থানে ৪৪টি বুথ স্থাপন করেছিল সাবরিনা-আরিফ দম্পতির জেকেজি প্রতিষ্ঠান। নমুনা সংগ্রহের জন্য মাঠকর্মী নিয়োগ দেয়া ছিল। তাদের হটলাইন নম্বরে রোগীরা ফোন দিলে মাঠকর্মীরা বাড়ি গিয়েও নমুনা সংগ্রহ করতেন। আবার অনেককে জেকেজির বুথের ঠিকানা দেয়া হত। এভাবে কর্মীরা প্রতিদিন গড়ে ৫০০ মানুষের নমুনা সংগ্রহ করত। পরে তাদের গুলশানের একটি ভবনের ১৫ তলার অফিসের একটি ল্যাপটপ থেকে ভুয়া সনদ দিত। ওই ল্যাপটপ থেকে জেকেজির কর্মীরা রাতদিন শুধু জাল রিপোর্ট তৈরির কাজ করত। প্রতিটি সনদের জন্য নেয়া হতো পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত। বিদেশিদের কাছ থেকে নেয়া হত ১০০ ডলার। যদিও শর্ত ছিল বিনামূল্যে নমুনা সংগ্রহ করে সরকার নির্ধারিত ল্যাবে পাঠাতে হবে। কিন্তু তারা সবধরনের শর্ত ভঙ্গ করে পরীক্ষা ছাড়াই রিপোর্ট দিয়েছে।

খবর২৪ঘন্টা/নই

পোস্টটি শেয়ার করুন

এ ধরনের আরো খবর

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।

Developed By SISA HOST