1. [email protected] : Abir k24 : Abir k24
  2. [email protected] : bulbul ob : bulbul ob
  3. [email protected] : Ea Shihab : Ea Shihab
  4. [email protected] : khobor : khobor 24
  5. [email protected] : admin : admin admin
  6. [email protected] : nahid islam : nahid islam
  7. [email protected] : R khan : R khan
হোমিওপ্যাথি ফার্মেসির আড়ালে স্পিরিটের কারবার, গ্রেপ্তার ১ - খবর ২৪ ঘণ্টা
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১১ অপরাহ্ন

হোমিওপ্যাথি ফার্মেসির আড়ালে স্পিরিটের কারবার, গ্রেপ্তার ১

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় হোমিওপ্যাথি ফার্মেসির আড়ালে রেক্টিফাইড স্পিরিট (অ্যালকোহল) বিক্রির অভিযোগে মো. আলতাফ হোসেন (৬৪) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেল ৫টা থেকে ৫টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত দুপচাঁচিয়া পৌরসভার শহরতলা এলাকায় তাঁর ভাড়াকৃত ও দখলে থাকা ‘আল মাহফিল’ নামের হোমিওপ্যাথি ফার্মেসিতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ২৫টি কাচের বোতলে ৭৫০ মিলিলিটার রেক্টিফাইড স্পিরিট এবং স্পিরিট রাখার ৭৫টি খালি কাচের বোতল উদ্ধার করা হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) বগুড়া জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অধিদপ্তরের একটি দল দুপচাঁচিয়া পৌরসভার শহরতলা এলাকায় অবস্থিত ওই ফার্মেসিতে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ফার্মেসির ভেতরে কাঠের তৈরি তিন ড্রয়ারবিশিষ্ট একটি টেবিলের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ড্রয়ার থেকে আলামতগুলো উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার করা রেক্টিফাইড স্পিরিটের ২৫টি কাচের বোতলই ছিল লেবেলবিহীন। প্রতিটি বোতলে ৩০ মিলিলিটার করে মোট ৭৫০ মিলিলিটার স্পিরিট পাওয়া যায়। এ ছাড়া একটি প্লাস্টিকের বাজারের ব্যাগের ভেতর থেকে কর্কসহ ৭৫টি লেবেলবিহীন খালি কাচের বোতল উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার মো. আলতাফ হোসেন বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার তালোড়া ইউনিয়নের নলঘরিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম মৃত কছির উদ্দিন আহম্মেদ এবং মায়ের নাম মৃত আয়েশা।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক শামীমা আকতার বাদী হয়ে গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুপচাঁচিয়া থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) বগুড়া জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহা. জিললুর রহমান বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ঘোষিত জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদকদ্রব্যের অবৈধ বিক্রি ও সরবরাহ বন্ধে গোয়েন্দা নজরদারি এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্য কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে তাঁদেরও আইনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

ডিএনসি সূত্রে আরও জানা যায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তি রেক্টিফাইড স্পিরিট কীভাবে এবং কোথা থেকে সংগ্রহ করতেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর উৎস ও সরবরাহব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে অবৈধ মাদকদ্রব্যের বিক্রি, সরবরাহ ও বিস্তার রোধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।

 
Developed By Khobor24ghonta Team