1. [email protected] : Abir k24 : Abir k24
  2. [email protected] : bulbul ob : bulbul ob
  3. [email protected] : Ea Shihab : Ea Shihab
  4. [email protected] : khobor : khobor 24
  5. [email protected] : admin : admin admin
  6. [email protected] : nahid islam : nahid islam
  7. [email protected] : R khan : R khan
ইংল্যান্ডে জন্ম নিয়েও কেন নরওয়ের হয়ে খেলছেন হালান্ড? - খবর ২৪ ঘণ্টা
রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন

ইংল্যান্ডে জন্ম নিয়েও কেন নরওয়ের হয়ে খেলছেন হালান্ড?

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক: বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে এবার মুখোমুখি হচ্ছে ইংল্যান্ড ও নরওয়ে। ম্যাচটির অন্যতম আকর্ষণ নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আরলিং হালান্ড। মজার বিষয় হলো, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে নামা এই ফুটবলারের জন্মই হয়েছিল ইংল্যান্ডে। তাই অনেকের প্রশ্ন-ইংল্যান্ডে জন্ম নেওয়া হালান্ড কেন ইংল্যান্ডের হয়ে খেলেন না?

হালান্ডের জন্ম ২০০০ সালের ২১ জুলাই ইংল্যান্ডের লিডস শহরে। সে সময় তার বাবা আলফি হালান্ড ইংলিশ ক্লাব লিডস ইউনাইটেডের হয়ে খেলতেন। তবে বাবার ক্যারিয়ার চোটের কারণে দ্রুত শেষ হয়ে গেলে পুরো পরিবার নরওয়েতে ফিরে যায়। সেখানেই বড় হন হালান্ড এবং ব্রিনে ক্লাবের একাডেমিতে ফুটবলের হাতেখড়ি হয় তার।

নরওয়েজিয়ান বাবা-মায়ের সন্তান হওয়ায় হালান্ডের সামনে ইংল্যান্ড ও নরওয়ে-দুই দেশের হয়েই খেলার সুযোগ ছিল। কিন্তু ছোটবেলা থেকেই নরওয়ের সঙ্গে তার সম্পর্ক ও আবেগ ছিল অনেক গভীর। দেশটির বয়সভিত্তিক দলগুলোতে খেলেই তিনি বড় হন এবং সেখান থেকেই সিনিয়র জাতীয় দলে ডাক পান।

২০২২ সালে গোল ডটকমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হালান্ড বলেছিলেন, ‘আমি ইংল্যান্ডে সাড়ে তিন থেকে চার বছর ছিলাম, কিন্তু নরওয়েতেই দীর্ঘ সময় কাটিয়েছি। তাই নরওয়েকেই বেছে নেওয়া আমার জন্য খুবই স্বাভাবিক ছিল। বাবা যদি আরও অনেক বছর ইংল্যান্ডে খেলতেন, তাহলে হয়তো আমি ইংলিশ হয়ে উঠতাম। কিন্তু আমি নরওয়েজিয়ান, আর সেটা নিয়ে আমি গর্বিত।’

২০২০ সালে ইংল্যান্ডের তৎকালীন কোচ গ্যারেথ সাউথগেটকেও হালান্ডের ইংল্যান্ডের হয়ে খেলানোর সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। জবাবে তিনি বলেন, ‘হালান্ডের মতো খেলোয়াড়রা কোথায় খেলতে চায়, সেটা খুব পরিষ্কার। সে যে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করছে, সেই দেশের প্রতি তার আনুগত্য রয়েছে। সেটিকে সম্মান করা উচিত।’

২০১৯ সালে মাত্র ১৯ বছর বয়সে নরওয়ের জার্সিতে অভিষেক হয় হালান্ডের। এরপর থেকে তিনি জাতীয় দলের হয়ে ৫৪ ম্যাচে ৬২টি গোল করেছেন এবং ৭টি অ্যাসিস্ট দিয়েছেন।

অনেকেই মনে করেছিলেন, নরওয়েকে বেছে নেওয়ার অর্থ হয়তো কখনো বিশ্বকাপ খেলতে না পারা। কারণ ১৯৯৮ সালের পর দীর্ঘ ২৮ বছর বিশ্বকাপে উঠতে পারেনি দেশটি। কিন্তু সেই ধারণা বদলে দিয়েছেন হালান্ড নিজেই। তার নেতৃত্বেই নরওয়ে বিশ্বকাপে ফিরে এসেছে এবং ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোয়ার্টার ফাইনালে খেলছে।

চলতি বিশ্বকাপেও দুর্দান্ত ছন্দে আছেন এই স্ট্রাইকার। শেষ ষোলোতে ব্রাজিলের বিপক্ষে জোড়া গোল করে দলকে জয় এনে দেন। টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত তার গোল ৭টি, যা তাকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতার অবস্থানে রেখেছে। শুধু কিলিয়ান এমবাে ও লিওনেল মেসি তার চেয়ে এগিয়ে, তাদের দুজনেরই গোল ৮টি।

বর্তমানে ইংল্যান্ডের ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটির অন্যতম বড় তারকা হলেও হালান্ড নিয়মিত নরওয়েতে ফিরে যান। নিজের শিকড়ের প্রতি ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে জাতীয় দলের জার্সিতে তিনি শুধু ‘Haaland’ নয়, ‘Braut Haaland’ নাম ব্যবহার করেন। ‘ব্রাউট’ তার মায়ের পারিবারিক নাম, আর বাবা-মায়ের দুই পরিবারের নাম একসঙ্গে ব্যবহার করা নরওয়ের একটি ঐতিহ্য।

খবর২৪ঘন্টা/মইসে

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।

 
Developed By Khobor24ghonta Team