বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে সরকার কর্তৃক ঘোষিত লকডাউনের ৫ম দিন চলছে। লকডাউন কার্যকরে কঠোর অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে। উপজেলার প্রত্যেকটি প্রবেশদ্বারে ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশ, সেনাবাহিনী, আনসার ও উপজেলা প্রশাসনের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বন্ধ ছিল গার্মেন্টস ,ইলেকট্রনিক্সসহ সৌখিন ও বিলাসি পণ্যের দোকান। খোলা ছিল স্বাস্থ্যসেবা ও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান। জনসাধারণের ও যানবাহনের উপস্থিতি ছিল খুবই সীমিত। রাস্তায় বেরুলেই করতে হয়েছে জবাবদিহীতা। যথার্থ
কারণ দেখাতে না পারলে দিতে হয়েছে জরিমানা। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান করোনা সংক্রমন ঠেকাতে ও লোকডাউন কর্যকরে প্রশাসন বধ্য পরিকর। অপ্রয়োজনে বাহিরে বের হওয়া ও নির্দেশনার বাইরে দোকান খোলা নিরুৎসাহিত করতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হচ্ছে। এ পর্যন্ত পৃথক পৃথক মামলায় মোট ৪১০০ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রম্যমান আদালত। সেই সাথে বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকার আগামী বুধবার (১৪জুলাই) পর্যন্ত লোকডাউনের সময়সীমা বৃদ্ধি করেছেন বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।