খবর২৪ঘণ্টা.কম, ডেস্ক: রংপুরের আইনজীবী ও আওয়ামী লীগ নেতা রথীশ চন্দ্র ভৌমিকের মৃতদেহ নিখোঁজ হওয়ার পাঁচদিন পর উদ্ধার করেছে র্যাব। মঙ্গলবার দিনগত রাত আড়াইটার দিকে রথীশের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। র্যাব-১৩ অধিনায়ক আরমিন রাব্বি সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
নিহত রথীশ চন্দ্রের বাড়ি থেকে আধাকিলোমিটার দূরে তাজহাট মোল্লাপাড়া এলাকায় নির্মাণাধীন একটি বাড়িতে তার মৃতদেহ মাটিচাপা দেয়া ছিল। রথীশের ভাই সুশান্ত ভৌমিক মৃতদেহ শনাক্ত করেন।
র্যাব জানায়, রথীশের স্ত্রী দীপা ভৌমিক এবং দীপার দুই সহকর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদের পর মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটায় অভিযানে নামে র্যাব। তাঁদের দেয়া তথ্য মতে লাশের সন্ধান পাওয়া যায়।
এর আগে গত ৩০ মার্চ রথীশ চন্দ্র ভৌমিক নিখোঁজ হন। মঙ্গলবার বিভিন্ন সংগঠন রথীশ চন্দ্রের নিখোঁজের প্রতিবাদে প্রতীকী অনশন পালন করে।
র্যাব জানায়, রথীশের স্ত্রী দীপা ভৌমিক এবং দীপার দুই সহকর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদের পর মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটায় অভিযানে নামে র্যাব। তাঁদের দেয়া তথ্য মতে মৃতদেহের সন্ধান পাওয়া যায়।
এর আগে গত ৩০ মার্চ রথীশ চন্দ্র ভৌমিক নিখোঁজ হন। মঙ্গলবার বিভিন্ন সংগঠন রথীশ চন্দ্রের নিখোঁজের প্রতিবাদে প্রতীকী অনশন পালন করে।
অভিযানে নেতৃত্ব দেয়া র্যাব-১৩ এর অধিনায়ক মেজর আরমিন রাব্বী জানান, ধারণা করা হচ্ছে দীপার সঙ্গে তার এক সহকর্মী শিক্ষকের সম্পর্কের জেরে রথীশ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।
যে বাড়িতে রথীশের মৃতদেহ পাওয়া গেছে, তা দীপার সহকর্মী তাজহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কামরুল ইসলামের ভাইয়ের বাড়ি।
দীপাকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়ে মেজর রাব্বী সাংবাদিকদের বলেন, তার দেয়া তথ্যেই লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। চার-পাঁচদিন আগে হত্যার পর মৃতদেহটি নির্মাণাধীন বাড়িটিতে মাটিচাপা দেয়া হয়েছিল।
রংপুর জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেকও লাশ উদ্ধারের সময় উপস্থিত ছিলেন।
রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক রথীশ জাপানি নাগরিক কুনিও হোশি এবং মাজারের খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন।
নিহত রথীশ চন্দ্র হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন।
খবর২৪ঘণ্টা.কম/রখ