1. [email protected] : Abir k24 : Abir k24
  2. [email protected] : bulbul ob : bulbul ob
  3. [email protected] : Ea Shihab : Ea Shihab
  4. [email protected] : khobor : khobor 24
  5. [email protected] : অনলাইন ভার্সন : অনলাইন ভার্সন
  6. [email protected] : omor faruk : omor faruk
  7. [email protected] : R khan : R khan
যে ব্যক্তির ওপর আল্লাহর লা’নত - খবর ২৪ ঘণ্টা
রবিবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৫, ০৯:২২ পূর্বাহ্ন

যে ব্যক্তির ওপর আল্লাহর লা’নত

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৮

ইসলাম ও জীবন :

মাদকের সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তির ওপর আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে লা’নত বর্ষিত হয়। মাদক মানুষের বুদ্ধি ও বিবেক ধ্বংস করে দেয়। নেশার টাকা জোগাতে গিয়ে খুন-খারাবি পর্যন্ত করে ফেলে। মাদকাসক্ত ব্যক্তির বৈবাহিক জীবন খুবই যন্ত্রণাদায়ক। শয়তানের কাজ হলো মানুষকে মাদক গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করে লা’নতের পথে নিয়ে যাওয়া। মাদক গ্রহণকারী ব্যক্তি শয়তানের আমন্ত্রিত মেহমান। মাদক উৎপাদন, ক্রয়, বিক্রয়, সরবরাহ ও পান করার কাজের সাথে সম্পৃক্ত হওয়ার অর্থ হলো শয়তানের সাথে বন্ধুত্ব করা। কুরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনগণ! নিশ্চয় মদ, জুয়া, প্রতিমা-বেদী ও ভাগ্যনির্ধারক তীরসমূহ তো নাপাক শয়তানের কর্ম। সুতরাং তোমরা তা পরিহার করো, যাতে তোমরা সফলকাম হও’ (সূরা মায়িদা : ৯০)।

মদ পানের মাধ্যমে পরস্পরের মধ্যে শুত্রুতার সৃষ্টি হয়। মদ পানের জন্য শয়তান আহ্বান জানায়। কুরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘শয়তান শুধু মদ ও জুয়া দ্বারা তোমাদের মধ্যে শক্রতা ও বিদ্বেষ সঞ্চার করতে চায়। আর আল্লাহর স্মরণ ও সালাত থেকে তোমাদের বাধা দিতে। অতত্রব, তোমরা কি বিরত হবে না?’ (সূরা মায়িদা : ৯১)।

মদ পানকারী ব্যক্তি আখিরাতে আল্লাহ তায়ালার কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হবেন। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রা: হতে বর্ণিত হয়েছে, হজরত রাসূল সা: এরশাদ করেছেন, যে লোক দুনিয়ায় মদ পান করল, অতঃপর তা থেকে তওবা করল না, সে আখিরাতে তা থেকে বঞ্চিত হবে (বুখারী : ৫৫৭৫)। মদ পানকারী ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রা: থেকে বর্ণিত হয়েছে, হজরত রাসূল সা: এরশাদ করেছেন, পিতা-মাতার সাথে দুর্ব্যবহারকারী, জুয়াড়ি, উপকার করে খোটা দানকারী ও সদা মাদক সেবনকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে না (মিশকাত পৃষ্ঠা নম্বর ৩১৮)। হজরত আনাস রা: থেকে বর্ণিত হয়েছে, হজরত রাসূল সা: মদের সাথে সম্পৃক্ত দশ ব্যক্তির ওপর অভিশাপ দিয়েছেন, তারা হলোÑ ১. মদ প্রস্তুতকারী, ২. মদ প্রস্তুতের পরামর্শদাতা, ৩. মদ পানকারী, ৪. মদ বহনকারী, ৫. যার নিকট মদ বহন করা হয়, ৬. মদ বিক্রেতা, ৭. মদ পরিবেশনকারী, ৮. মদের মূল্য গ্রহণকারী, ৯. মদ ক্রয়-বিক্রয়কারী, ১০. যার জন্য মদ ক্রয় করা হয় (তিরমিজি : ১২৯৫)।

মাদকের ভয়াবহতার বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরির কাজে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। কুরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘কেউ কোনো সৎ কাজ করলে সে তার দশ গুণ পাবে, আর কেউ যদি অসৎ কাজ করে তবে তাকে তারই প্রতিফল দেয়া হবে আর তাদের প্রতি কোনো জুলুম করা হবে না’ (সূরা আনআম : ১৬০)।

‘তোমাদের মধ্য থেকে একটি দল থাকা উচিত যারা আহ্বান জানাবে সৎ কর্মের প্রতি, নির্দেশ দেবে ভালো কাজের এবং বারণ করবে অন্যায় কাজ থেকে, আর তারাই হলো সফলকাম’ (সূরা আল ইমরান : ১০৪)। একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তৈরি করার তাগিদ থেকে মাদকের বিরুদ্ধে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থানে থেকে সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করে যেতে হবে।

লেখক : প্রবন্ধকার

আর/আ

পোস্টটি শেয়ার করুন

এ ধরনের আরো খবর

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।

Developed By SISA HOST