1. [email protected] : Abir k24 : Abir k24
  2. [email protected] : bulbul ob : bulbul ob
  3. [email protected] : Ea Shihab : Ea Shihab
  4. [email protected] : khobor : khobor 24
  5. [email protected] : অনলাইন ভার্সন : অনলাইন ভার্সন
  6. [email protected] : omor faruk : omor faruk
  7. [email protected] : R khan : R khan
যে কারণে স্থগিত হলো বিশ্ব ইজতেমা - খবর ২৪ ঘণ্টা
রবিবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৫, ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন

যে কারণে স্থগিত হলো বিশ্ব ইজতেমা

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৮

খবর ২৪ ঘন্টা ডেস্ক :

আসন্ন বিশ্ব ইজতেমা স্থগিত করা হয়েছে। নির্বাচন ও তাবলিগ জামাতের দুই পরে দ্বন্দ্বের কারণে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গতকাল দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাবলিগ জামাতের দুই পকে নিয়ে বসা বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এ ব্যাপারে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: আনিছুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘নির্বাচনের আগে সব ধরনের জমায়েত নিষিদ্ধ। একইসাথে তাবলিগের জামাতের মধ্যে বিরোধও রয়েছে। এসব বিবেচনায় তাবলিগের বিশ্ব ইজতেমা স্থগিত করা হয়েছে। একই সাথে তাবলিগের দুই পরে সব কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে। তারা কোনো জোড় (জমায়েত), ওজহাতি জোড় (স্পষ্টকরণ জমায়েত) কিছুই করতে পারবেন না। এ ছাড়া, একটি প্রতিনিধি দল ভারত যাবে। প্রতিনিধি দলের সদস্যরা আলাপ আলোচনা করে সমাধান করবেন।

জানা যায়, তাবলিগ জামাতের বিবদমান দুই পই জানুয়ারিতে পৃথক পৃথক তারিখে টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমা করার ঘোষণা দিয়েছিল। ভারতের তাবলিগের মুরব্বি মাওলানা সাদ কান্ধলভি অনুসারীরা গত বিশ্ব ইজতেমার পর ২০১৯ সালের বিশ্ব ইজতেমার জন্য ১১, ১২, ও ১৩ জানুয়ারি তারিখ নির্ধারণ করেন। অন্য দিকে মাওলানা সাদবিরোধীরা ও কওমি আলেমদের নিয়ে সম্প্রতি ২৮ জুলাই অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে জানুয়ারির ১৮, ১৯ ও ২০ ইজতেমার তারিখ নির্ধারণ করেছিল। একইসাথে দুই পই পৃথক তারিখে জেলা ভিত্তিক জমায়েতের তারিখ নির্ধারণ করেছিল। আর এই জমায়েতকে কেন্দ্র করে দুই পরে মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাবলিগ জামাতের দুই পকে নিয়ে বসা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। এ ছাড়া, তাবলিগ জামাতের মুরব্বিদের মধ্যে শুরা সদস্য মাওলানা যুবায়ের আহমদ ও সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। আলেমদের মধ্যে শোলাকিয়া ঈদগাহের খতিব মাওলানা ফরীদ উদদীন মাসঊদ ও গুলশান সেন্ট্রাল মসজিদের খতিব মাওলানা মাহমুদুল হাসানও উপস্থিত ছিলেন। আরো উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদিন, পুলিশের আইজি মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, ধর্মসচিব, আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক শেখ আবদুল্লাহ প্রমুখ। বৈঠক সূত্র জানায়, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের কথা বিবেচনা করে ইজতেমার তারিখ চূড়ান্ত না করার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, ‘নির্বাচন যথাসময়ে হলে ইজতেমা করা যাবে। না হলে হয়তো ইজতেমা পেছানো লাগতে পারে। নির্বাচনের তারিখ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন নির্বাচন কমিশন, তাই ইজতেমার তারিখ চূড়ান্ত বলে ঘোষণা না করাই ভালো।’

এ দিকে, ভারতের তাবলিগের মুরব্বি মাওলানা সাদ কান্ধলভিকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধ নিরসনে তাবলিগ ও সরকারি কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দল ভারত যাবে। প্রতিনিধি দলে রয়েছেন, মাওলানা ফরীদ উদদীন মাসঊদ, মাওলানা মাহমুদুল হাসান, তাবলিগের আহলে শুরা সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম, মাওলানা মুহাম্মদ যোবায়ের, ধর্মসচিব মো: আনিছুর রহমান ও আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক শেখ আবদুল্লাহ।

এম/এমকে

পোস্টটি শেয়ার করুন

এ ধরনের আরো খবর

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।

Developed By SISA HOST