1. [email protected] : Abir k24 : Abir k24
  2. [email protected] : bulbul ob : bulbul ob
  3. [email protected] : Ea Shihab : Ea Shihab
  4. [email protected] : khobor : khobor 24
  5. [email protected] : admin : admin admin
  6. [email protected] : nahid islam : nahid islam
  7. [email protected] : R khan : R khan
মান্দায় হত্যাকাণ্ড, আসামিদের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ - খবর ২৪ ঘণ্টা
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ০৮:৩৬ অপরাহ্ন

মান্দায় হত্যাকাণ্ড, আসামিদের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর মান্দা উপজেলার হাটোইর গ্রামের তৈয়বুর রহমান হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আসামিদের বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুন) জুমার নামাজের পর মুসল্লিরা সংঘবদ্ধ হয়ে হত্যা মামলার আসামিদের বসতবাড়িতে এ হামলা ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে আসামি সৈয়ব আলী, সাজেদুর রহমান, কামরান হোসেন, স্বাধীন, সুমন, সুজাত, সজিব, হামিদুল ইসলাম আকুর বসতবাড়ি ভস্মিভূত হয়। ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয় ইমরান হোসেন ও আমিনুর রহমানের বাড়িতে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, জুমার নামাজ শেষে ৫০ থেকে ৬০ জন মুসল্লি সংঘবদ্ধ হয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামি সৈয়ব আলীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। এ সময় হামলাকারীরা সৈয়ব আলীসহ তার ছয় ছেলের বাড়িতে একযোগে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে পুরো এলাকা ভস্মিভূত হয়েছে। এরপর হামলাকারীরা সৈয়ব আলীর অন্য ছেলেদের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। জুমার নামাজের পর হঠাৎ এ তাণ্ডবে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংবাদ পেয়ে মান্দা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণ করে।

ঘটনার শিকার লাইলি বেগম বলেন, ‘তৈয়বুর রহমান হত্যা মামলায় আমার স্বামী আমিনুল ইসলামকে আসামি করা হয়েছে। কিন্তু ঘটনার দিন ও সময়ে আমার স্বামী বাড়িতে ছিলেন না। মামলায় আসামি হওয়ার পর থেকে তিনি পলাতক আছেন। এরপর জুমার নামাজের পর আমাদের বাড়িতেও তাণ্ডব চালিয়ে সবকিছু ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ সময় পালিয়ে জীবন রক্ষা করেছি।’ এ প্রসঙ্গে হত্যা মামলার বাদী সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পরানপুর ইউনিয়নের হাটোইর গ্রামে বাচ্চাদের আম নামানোকে কেন্দ্র করে আব্দুল মোমিন ও প্রতিবেশী ইমরান হোসেনের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। জের ধরে গত সোমবার (৮ জুন) সকালে ইমরান হোসেন ও তার লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে আব্দুল মোমিনের বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও মারধর করে। এতে চারজন আহত হন। আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার সময় প্রতিপক্ষের লোকজন দ্বিতীয় দফায় তাদের ওপর হামলা করেন। এ সময় তাদের বাঁচাতে স্থানীয় বাসিন্দা তৈয়বুর রহমান এগিয়ে এলে তাকেও মারধর করা হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় নিহতের ছেলে সাখাওয়াত হোসেন বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৭ থেকে ৮ জনের বিরুদ্ধে মান্দা থানায় মামলা করেন। এদের মধ্যে সৈয়ব আলী, কামরান, স্বাধীন ও সুরভী বেগমকে গ্রেপ্তার করে নওগাঁ কারাগারে পাঠায় পুলিশ। মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোরশেদ আলম বলেন, তৈয়বুর রহমান হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ইতোমধ্যে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদেরও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। জুমার নামাজের পর হঠাৎ করে মুসল্লিরা সংঘবদ্ধ হয়ে আসামিদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ করে পুড়িয়ে দেওয়া সঠিক হয়নি। ঘটনায় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খবর২৪ঘন্টা/এসএফ

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।

 
Developed By Khobor24ghonta Team