1. [email protected] : Abir k24 : Abir k24
  2. [email protected] : bulbul ob : bulbul ob
  3. [email protected] : Ea Shihab : Ea Shihab
  4. [email protected] : khobor : khobor 24
  5. [email protected] : অনলাইন ভার্সন : অনলাইন ভার্সন
  6. [email protected] : omor faruk : omor faruk
  7. [email protected] : R khan : R khan
বেপরোয়া গাড়ির ধাক্কায় সাংবাদিক আনোয়ার হক আহত, ক্র্যাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ - খবর ২৪ ঘণ্টা
বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০৭:১৫ অপরাহ্ন

বেপরোয়া গাড়ির ধাক্কায় সাংবাদিক আনোয়ার হক আহত, ক্র্যাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২ এপ্রিল, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: একজন জজ-এর ‘রং-সাইডে’ চলা বেপরোয়া গাড়ির ধাক্কায় আহত হয়েছেন বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব)’র সিনিয়র সদস্য, লাইফ টিভি’র এডিটর ইন চিফ, আনোয়ার হক।

বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে সভাপতি মির্জা মেহেদী তমাল ও সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহ্ এ ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন নেতৃবৃন্দ।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাতের এই ঘটনায় কোনোমতে তিনি প্রাণে বাঁচলেও মারাত্মক আহত হয়ে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন। বর্তমানে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আনোয়ার হক জানান, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে রাজশাহীর সাহেব বাজারের রাজশাহী প্রেসক্লাব থেকে ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সা যোগে কোর্ট স্টেশন এলাকায় বাসায় ফিরছিলেন তিনি। রিকশাটি ভেড়িপাড়া মোড় অতিক্রম করার সময় বিপরীত দিক থেকে বেপরোয়া গতিতে আসা একজন জজের বড় আকারের হায়েস মাইক্রোবাসটি (ঢাকা মেট্রো-চ ১৯-৪৬৮২ ) সজোরে ধাক্কা দেয়।

এতে সাংবাদিক আনোয়ার হক রাস্তার ওপর ছিটকে পড়েন। ঘাড়, মাথা, বুক, হাত, কোমর, পা-সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাতপ্রাপ্ত হন। এই ঘটনায় তরুণ বয়সের রিকশাচালকটি মারাত্মক আহত হন। তার রিকশার সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
আশপাশের লোকজন দৌড়ে এসে তাদের উদ্ধার করে। প্রাথমিক সেবা-শুশ্রূষা করেন তারা। এই সুযোগে জজ’কে বহনকারী মাইক্রোবাসটির চালক গাড়িটি নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। উপস্থিত জনগণ তখন গাড়িটি আটকে দেন।

বিক্ষুব্ধ জনতা মাইক্রোবাস চালককে গাড়িটি রাস্তার একপাশে নিয়ে রেখে গাড়ি থেকে নামতে বললেও তাদের কোন কথাই শুনতে চাননি। উল্টো তিনি উদ্ধত আচরণ করেন।

এক পর্যায়ে ওই পথ দিয়ে সাদা পোশাকে মোটরসাইকেলযোগে যাচ্ছিলেন রাজপাড়া থানার দুই সদস্য। তারা নিজেদের পরিচয় দিয়ে পুরো ঘটনা শুনে গাড়ি ও রিকশা রাস্তার এক পাশে নেয়ার ব্যবস্থা করেন। কিছুক্ষণ পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় পুলিশের একটি টহল মাইক্রোবাস ও রিকশা থানায় নেয়ার উদ্যোগ নেন এবং জনগণকে সরে যেতে বলেন।

ঠিক এমন সময় সাদা রঙের পায়জামা-পাঞ্জাবি পরিহিত এক যুবক চিৎকার করতে করতে ঘটনাস্থলে এসে জনতার মধ্যে ঢুকে পড়েন। উচ্চস্বরে বলতে থাকেন- ‘স্যারের গাড়ি কে আটকে রেখেছে? সবাই সরে যান।’
গাড়ির কাছে এসে পুলিশ সদস্যদের তিনি বলেন, ‘জানেন ভেতরে কে আছে? জজ স্যারের গাড়ি এটা। ওপর থেকে নির্দেশ এসেছে, এই মুহূর্তে গাড়ি ছাড়ার ব্যবস্থা করেন ‘।

ঘটনাস্থলের পাশের বাসিন্দা উল্লেখ করে নিজেকে রাজশাহী কোর্টের ‘নাজির রানা’ বলে পরিচয় দেন ঐ যুবক। জানান, ম্যাজিস্ট্রেট শংকর কুমার তাকে পাঠিয়েছেন। নাজির রানা আরও জানান, ‘গাড়িটির ভেতরে রয়েছেন চট্টগ্রামের এডিশনাল জজ আলিম উদ্দিন। রাজশাহীতেই তার শ্বশুর বাড়ি।’

‘নাজির রানা’র এ নির্দেশনার পরপরই পুলিশ রিকশা চালককে একপাশে নিয়ে গিয়ে দ্রুত ওই এলাকা থেকে বের করে দেয়। আনোয়ার হক গাড়ির ভেতরে বসা ‘জজ আলিম’-এর সঙ্গে কথা বলতে চান। কিন্ত প্রথমে তিনি গাড়ি থেকে নামতে রাজি হন নি।

পরে মাত্র মিনিট খানেকের জন্য বাইরে এলে সাংবাদিক আনোয়ার হক বলেন, আপনার বেপরোয়া চালকের কারণে আমি তো মারাই যাচ্ছিলাম। উত্তরে সেই বিচারক তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যের সুরে ঘাড় ঝাঁকিয়ে বলেন, ‘এক্সিডেন্ট হতেই পারে। আর আপনি তো আর মরেন নি’!

বলেই তিনি গাড়িতে উঠেই চালককে গাড়ি স্টার্ট দিতে বলেন। পুলিশের সহায়তায় দ্রুত ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যায় জজের ওই মাইক্রোবাস।

বিএ..

পোস্টটি শেয়ার করুন

এ ধরনের আরো খবর

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।

Developed By SISA HOST