1. [email protected] : Abir k24 : Abir k24
  2. [email protected] : bulbul ob : bulbul ob
  3. [email protected] : Ea Shihab : Ea Shihab
  4. [email protected] : khobor : khobor 24
  5. [email protected] : অনলাইন ভার্সন : অনলাইন ভার্সন
  6. [email protected] : omor faruk : omor faruk
  7. [email protected] : R khan : R khan
প্রশিক্ষণ নেই ৮৬ শতাংশ নার্সের : টিআইবি - খবর ২৪ ঘণ্টা
রবিবার, ১২ জানয়ারী ২০২৫, ০৭:৫০ অপরাহ্ন

প্রশিক্ষণ নেই ৮৬ শতাংশ নার্সের : টিআইবি

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৫ জুন, ২০২০

খবর২৪ঘন্টা নিউজ ডেস্ক: দেশের ৮৬ শতাংশ নার্সের করোনা ভাইরাস সংক্রম রোধ ও নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক ‘আইপিসি’ প্রশিক্ষণ নেই বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। বিবিজিএনএস ও এসএনএসআর নামক নার্সদের দু’টি সংগঠনের জরিপের ভিত্তিতে দুর্নীতি বিরোধী সংগঠনটি এই তথ্য জানিয়েছে।

এছাড়া করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে ৭৪ দশমিক ৫০ শতাংশ দক্ষ জনবলের ঘাটতি রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও উপকরণের ৫৯ দশমিক ৬০ শতাংশ ঘাটতি রয়েছে বলে জানিয়েছে টিআইবি।

আজ সোমবার ‘করোনা ভাইরাস সংকট মোকাবেলায় সুশাসনের চ্যালেঞ্জ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ’ উপলক্ষে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

টিআইবি জানিয়েছে, প্রত্যক্ষভাবে সারা দেশের সকল বিভাগের ৩৮টি জেলা থেকে ৪৭টি হাসপাতাল থেকে স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত তথ্য নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৯টি মেডিকেল কলেজ, ৩৩টি উপজেলা পর্যায়ের হাসপতাল, ৫টি অন্যান্য হাসপাতাল রয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য তুলে ধরে টিআইবি বলেছে, গবেষণার অন্তর্ভুক্ত হাসপাতালগুলোর ২২ দশমিক ২০ শতাংশের সকল স্বাস্থ্যকর্মী প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। শুধু চিকিৎসক ও নার্স প্রশিক্ষণ পেয়েছেন ২০ শতাংশ হাসপাতালের। শুধু চিকিৎসক প্রশিক্ষণ পেয়েছেন ২০ শতাংশ হাসপাতালের।

শুধুমাত্র কোভিডের জন্য নির্ধারিত কর্মীরা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন ১৩ দশমিক ৩০ শতাংশ হাসপাতালের। এছাড়া অল্প সংখ্যক কর্মী প্রশিক্ষণ পেয়েছেন ৬ দশমিক ৭০ শতাংশ, অল্পসংখ্যক চিকিৎসক ও নার্স প্রশিক্ষণ পেয়েছেন ৬ দশমিক ৭০ শতাংশ, একজন করে চিকিৎসক প্রশিক্ষণ পেয়েছেন ৬ দশমিক ৭০ শতাংশ এবং কেউ প্রশিক্ষণ পাননি ২ দশমিক ২০ শতাংশ হাসপাতালে।

ফেব্রুয়ারির শুরুতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে সতর্ক করা হলেও ‘বাংলাদেশে কোভিড-১৯ এর জন্য জাতীয় প্রস্তুতি ও সাড়া দান পরিকল্পনা’ প্রণয়নে প্রায় দেড় মাস বিলম্ব করা হয়েছে। এর কারণে সংক্রমণ প্রতিরোধ ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে টিআইবি।

চিকিৎসা ব্যবস্থার ঘাটতির তথ্য তুলে ধরে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে ৭৪ দশমিক ৫০ শতাংশ দক্ষ জনবলের ঘাটতি রয়েছে। এছাড়া প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও উপকরণের ঘাটতি রয়েছে ৫৯ দশমিক ৬০ শতাংশ, নিন্মমানের নিরাপত্তা সামগ্রী ৫১ দশমিক ১০ শতাংশ, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ঘাটতি ৫১ দশমিক ১০ শতাংশ, নিরাপত্তা সামগ্রীর ঘাটতি ৩৬ দশমিক ২০ শতাংশ, অন্যান্য ১০ দশমিক ৬০ শতাংশ এবং কোনো সমস্যা নেই ২ দশমিক ১০ শতাংশ।

প্রতিষ্ঠানটি বলছে, ঢাকা-১০ সহ তিনটি সংসদ উপ-নির্বাচন সম্পন্ন করা নিয়ে নির্বাচন কমিশন দায়িত্বহীন আচরণ করেছে। এছাড়া রাজনৈতিক, সামাজিক গণ জমায়েত নিষিদ্ধ করা হলেও বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে ব্যপক জনসমাগম হয়েছে। এর মধ্যে খালেদা জিয়ার জামিন, মুজিব জন্মশত বর্ষ উপলক্ষ্যে আতশবাজি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ধর্মীয় ধর্মীয় নেতার জানাজা। সেই সঙ্গে উপসনালয়ে জমায়েত না করার নির্দেশনা দেয়ার ক্ষেত্রে বিলম্ব করা হয়েছে।

খবর২৪ঘন্টা/নই

পোস্টটি শেয়ার করুন

এ ধরনের আরো খবর

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।

Developed By SISA HOST