1. [email protected] : Abir k24 : Abir k24
  2. [email protected] : bulbul ob : bulbul ob
  3. [email protected] : Ea Shihab : Ea Shihab
  4. [email protected] : khobor : khobor 24
  5. [email protected] : অনলাইন ভার্সন : অনলাইন ভার্সন
  6. [email protected] : omor faruk : omor faruk
  7. [email protected] : R khan : R khan
পাকিস্তানে সাংবাদিক অপহরণের দায়ে দুই পুলিশ সদস্য বরখাস্ত - খবর ২৪ ঘণ্টা
শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ১২:১১ পূর্বাহ্ন

পাকিস্তানে সাংবাদিক অপহরণের দায়ে দুই পুলিশ সদস্য বরখাস্ত

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৭ মারচ, ২০২৪

ডেইলি জাংয়ের সাংবাদিক মোহাম্মদ নাদিমকে অপহরণ ও হয়রানির অভিযোগে পাকিস্তানের সিন্ধু কাউন্টার টেররিজম ডিপার্টমেন্টের (সিটিডি) দুই কর্মীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার তাদেরকে এ বরখাস্তের আদেশ দেওয়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সিটিডি পুলিশের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (ডিআইজি) আসিফ এজাজ শেখ জানান, রেসকোর্সের কাছে একটি পাবলিক ট্রান্সপোর্ট পয়েন্ট থেকে ওই সাংবাদিক ও আরেক ব্যক্তিকে হেফাজতে নিয়ে সিটিডি সিভিল লাইনস থানায় নিয়ে আসে তারা।

সিটিডির সিনিয়র পুলিশ সুপার ইমরান শওকত প্রাথমিক তদন্ত করেছেন। যার ভিত্তিতে সিটিডি সদস্য জয়নুল আবিদিন এবং কালাই খান নামে দুই কর্মীকে তদন্ত সাপেক্ষে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

ডিআইজি এজাজ শেখ বলেন, ১১ মার্চ বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সিটিডির গোয়েন্দা শাখার দুই পুলিশ কনস্টেবল নাদিম ও মুহাম্মদ রিয়াজকে সন্দেহভাজন হিসেবে সিটিডি কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন।

সিটিডি সদস্য জয়নুলের দাবি ২৯ জানুয়ারি অফিসে যাওয়ার সময় একটি বাস থেকে তার মোবাইল ফোনটি চুরি হয়েছিল। কনস্টেবল জয়নুল সেদিনই ফ্রেরে পুলিশকে চুরির বিষয়টি জানিয়েছিলেন। ১১ মার্চ বিকেল সাড়ে ৩টায় একই বাসে ভ্রমণের সময় তিনি ‘দুই সন্দেহভাজনকে’ দেখতে পান, যারা সম্ভবত তার মোবাইল ফোন চুরি করেছিলো।

সিটিডি কমপ্লেক্সে পুলিশ অফিসারকে জানানো হয়েছিল যে, বিষয়টি সন্ত্রাস দমনের সাথে সম্পর্কিত নয় এবং সন্দেহভাজনদের ফ্রেরে থানায় নিয়ে যাওয়া উচিত কারণ বিষয়টি মূলত সেখানে রিপোর্ট করা হয়েছিল।

শেখ বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের সময় নাদিম ব্যাখ্যা করেছিলেন যে, তিনি অপরাধী নন এবং তিনি দৈনিক জাং সংবাদপত্রের জন্য কাজ করেন। নাদিমকে তার প্রেস ক্রেডেনশিয়াল যাচাইয়ের পরে সিটিডি গার্ড রুম থেকে বেরিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
অন্য সন্দেহভাজনকে ফ্রেরে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং সন্ধ্যা ৭ টায় ‘জিজ্ঞাসাবাদ’ করার পরে তাকেও ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।

ডিআইজি শেখ বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা সাংবাদিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে ঘটনার সত্যতা যাচাই করেছেন।

বিএ..

পোস্টটি শেয়ার করুন

এ ধরনের আরো খবর

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।

Developed By SISA HOST