1. [email protected] : Abir k24 : Abir k24
  2. [email protected] : bulbul ob : bulbul ob
  3. [email protected] : Ea Shihab : Ea Shihab
  4. [email protected] : khobor : khobor 24
  5. [email protected] : অনলাইন ভার্সন : অনলাইন ভার্সন
  6. [email protected] : omor faruk : omor faruk
  7. [email protected] : R khan : R khan
দুর্গাপুরে কৃষি জমি রক্ষার মিশনে মাঠে এসি ল্যান্ড - খবর ২৪ ঘণ্টা
শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন

দুর্গাপুরে কৃষি জমি রক্ষার মিশনে মাঠে এসি ল্যান্ড

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৬

দুর্গাপুর (রাজশাহী) প্রতিনিধি : রাজশাহীর দুর্গাপুরে দীর্ঘদিন ধরে কৃষিজমি কেটে পুকুর খনন চক্রের দৌরাত্ম্য স্থানীয় কৃষক ও সাধারন মানুষের জন্য ব্যাপক সমস্যার কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে এলাকার বহু তিন ফসলি উর্বর জমি রাতারাতি দীঘি বা গভীর গর্তে পরিণত হয়েছে।

শীত, বোরো ও আউশ এই তিন মৌসুমে নিয়মিত ফসল হতো এমন জমিগুলোতে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে পুকুর খনন করা হয়েছে। এতে উৎপাদন কমে গেছে, বর্ষায় পানিতে পাশের জমি ডুবে যায়, আবার কোথাও পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে ফসল রক্ষা কঠিন হয়ে পড়ে।

এদিকে গত কয়েক বছরে এসব অনিয়ম নিয়ে এলাকাবাসীর ক্ষোভ থাকলেও প্রভাবশালী চক্রের কারণে কেউ মুখ খুলতে সাহস পেত না। শুধু তাই নয়, অবৈধ পুকুর খনন চক্র এ অঞ্চলের গভীর নলকূপের পাইপ ও সেচ সরঞ্জামও ধ্বংস করেছে যা শত শত কৃষকের সেচ সুবিধা ব্যাহত করছে। তবে সম্প্রতি দুর্গাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লায়লা নুর তানজু মাঠে নেমে পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন করেছেন। তার দাপুটে পদক্ষেপ আর নিয়মিত অভিযানে পুরো পুকুর খনন চক্র এখন আতঙ্কে রয়েছে। অভিযান পরিচালনা করে কখনও ভেকুমেশিন অকেজো,জেল-জরিমানাসহ ভূমি সুরক্ষা আইনে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। অবৈধভাবে কৃষিজমি কেটে পুকুর খনন বন্ধে তার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযান এ চক্রের সদস্যদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। অনেকে আবার ভয়ে গা-ঢাঁকা দিয়েছে।

এসি ল্যান্ড লায়লা নুর তানজু যোগদানের পর থেকে এ উপজেলায় ১২/১৪ স্থানে কৃষি জমিতে অবৈধভাবে পুকুর খনন শুরু হয়েছিল। গোপন সংবাদের ভিক্তিতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে কৃষিজমি কেটে পুকুর খনন বন্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করেন তিনি। তার এই দৃঢ় অবস্থান ও নির্দেশনায় পুকুর খনন চক্রে নেমে আসে চরম আতঙ্ক। এসব খনন চক্রের বিভর স্বপ্নে ঢালেন গুড়েবালি।

উপজেলার উজালখলসি এলাকার কৃষক সাজাহান জানান, আমাদের আবাদি জমি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। প্রশাসন কঠিন ব্যবস্থা নেওয়ায় আমরা অনেকটাই স্বস্তি পেয়েছি।

এবিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভুমি) লায়লা নুর তানজু বলেন, আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। যারা আইন অমান্য করে পুকুর খনন করবে,তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, কৃষি জমি সুরক্ষা ও রক্ষার বিষয়ে ভুমি মন্ত্রণালয়ের সার্বজনীন অনুবিভাগ থেকে জেলা প্রশাসক স্যারের মাধ্যমে উপজেলা প্রশাসনকে জরুরি নির্দেশনার চিঠি পাঠানো হয়েছে। আমরা সেই নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করছি।

না/জ

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।

Developed By Khobor24ghonta Team