সবার আগে.সর্বশেষ  
ঢাকারবিবার , ১৪ জানুয়ারি ২০১৮
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রাজশাহীসহ তিন টিচার্স ট্রেনিং  কলেজে অধ্যক্ষের পদায়ন অবৈধ!

omor faruk
জানুয়ারি ১৪, ২০১৮ ৭:২৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক :
রাজশাহী, খুলনা ও চট্টগ্রাম তিন সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের (টিটিসি) অধ্যক্ষ পদে পদায়ন অবৈধ ঘোষণা করেছে সুপ্রিম কোর্ট। গত ১১ জানুয়ারী সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।
রাজশাহী টিটিসি’র উপাধ্যক্ষ জানান, শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের বিসিএস নিয়োগ বিধিমালা-১৯৮১ মোতাবেক টিচার্স ট্রেনিং কলেজে অধ্যক্ষ পদে পদায়নসহ সব পদোন্নতির ক্ষেত্রে টিচার্স ট্রেনিং কলেজে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা অগ্রাধিকার পাবেন। কিন্তু সম্প্রতি এ নিয়োগ বিধিমালা অনুসরণ না করে সাধারণ কলেজের বিএড/এমএড বিহীন শিক্ষকদের পদায়ন করছে শিক্ষা মন্ত্রনালয়। ফলে টিচার্স ট্রেনিং কলেজে নিয়োগপ্রাপ্তরা পদোন্নতি ও পদায়ন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আর এতে করে টিটিসিতে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।
রিটকারী সূত্র থেকে প্রাপ্ত নথি পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গত ১৬ নভেম্বর  রাজশাহী টিটিসি এবং ৩০ নভেম্বর খুলনা ও চট্টগ্রাম টিটিসিতে অধ্যক্ষ পদে সাধারণ কলেজের অধ্যাপক ড.ওলীউল আলম, শেখ হারুনর রশিদ ও স্বপন চৌধুরীকে পদায়ন করে শিক্ষা মন্ত্রনালয়। এতে ক্ষুব্ধ হন টিচার্স ট্রেনিং কলেজের শিক্ষকরা। এ পদায়নের বিরুদ্ধে  টিটিসি’র পক্ষে প্রফেসর ড. শেখ রেজাউল করিম দিং হাইকোর্টে ১৮৫৭৯/২০১৭ রিট পিটিশন দায়ের করেন।
এ রিট পিটিশনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর ও বিচারপতি একেএম শহিদুল হক গত ১৪ ডিসেম্বর ওই তিন কলেজের অধ্যক্ষের পদায়ন স্থগিত করেন এবং সরকারের প্রতি রুলনিশি জারি করেন। হাইকোর্টের এ স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে গত ১ জানুয়ারী সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার জজ বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের আদালতে ১০/২০১৮ নং লিভ টু আপিল দায়ের করেন সরকার ও পদায়নপ্রাপ্ত অধ্যক্ষরা। চেম্বার জজ গত ৯জানুয়ারী হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে তা শুনানীর জন্য প্রেরণ করেন। প্রধান বিচারপতি এমএ ওয়াহাব মিয়ার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতি গত ১১জানুয়ারী শুনানী শেষে টিটিসি’র রিটকারীদের পক্ষে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ বহাল রাখেন।
এদিকে, হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ অমান্য করে অধ্যক্ষ পদে যোগদান করায় ওই তিন অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ১১/২০১৮ নং আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হয়েছে। ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম এবং বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের আদালত গত ৯জানুয়ারী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবেনা-মর্মে রুলনিশি জারী করে এবং দুই সপ্তাহের মধ্যে তাদের হাইকোর্টে হাজির হতে তলব করা হয়েছে।
খবর২৪ঘণ্টা/এমকে

 

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।