সবার আগে.সর্বশেষ  
ঢাকাসোমবার , ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানার ওসি তদন্ত সেলিম বাদশা ক্লোজড

অনলাইন ভার্সন
ফেব্রুয়ারি ৫, ২০১৮ ৮:০৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক:রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি তদন্ত সেলিম বাদশাকে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়েছে। গত ১৩ জানুয়ারী দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে তাকে ক্লোজড করেন রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মাহবুবর রহমান পিপিএম।
সূত্রে জানা গেছে, নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আমানুল্লাহ আমান বেশ কিছুদিন ছুটিতে ছিলেন। তিনি ছুটিতে থাকাকালীন সময়ে ওসির দায়িত্বে ছিলেন ওসি তদন্ত সেলিম বাদশা।
ওসির অনুপস্থিতে সেলিম বাদশা দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে থানা এলাকার মধ্যে মাদক ব্যবসা জোরতাল চলে। মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে তিনি

 

আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেননি। মাদক ছাড়াও অন্যান্য কাজেও তিনি দায়িত্বে অবহেলা করেন।
দায়িত্বে থাকার পুরো সময়টি দায়িত্বে অবহেলা করার কারণে তাকে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো তদন্ত করেই তাকে ক্লোজড করা হয়েছে।

 

এ বিষয়ে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের পশ্চিম বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার আমির জাফর বলেন, বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি তদন্তকে ক্লোজড করা হয়েছে। ওসি ছুটিতে থাকাকালীন সময়ে তিনি ভারপ্রাপ্ত ওসির দায়িত্বে ছিলেন। সেই সময় দায়িত্ব অবহেলার কারণে তাকে ক্লোজড করা

হয়েছে। সেই সময় তিনি মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেননি। অভিযোগগুলো তদন্ত করেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, নগরীর বোয়ালিয়া থানা এলাকায় বেশ কয়েকটি হত্যা ডাকাতির ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলাও সেলিম বাদশা তদন্ত করেন। কোন ঘটনারই

কোন সুষ্ঠ তদন্ত তিনি করতে পারেন নি। এরমধ্যে নগরীর হোটেল নাইসের জোড়া খুনের ঘটনায় দায়ের করা মামলাও তিনি তদন্ত করেন। তদন্ত করে তিনি ওই খুনের ঘটনা আত্মহত্যা বলে রিপোর্ট দেন। তবে খুন হওয়া সুমাইয়ার বাবা রিপোর্টে অনাস্থা আনলে মামলাটি তদন্ত করে পিবিআই। তারা ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে এবং পরিকল্পিত হত্যার বিষয়টি জানতে পারে। হত্যাকে আত্মহত্যা বলেও রিপোর্ট দেয় সেলিম বাদশা। জোড়া খুনের মামলা তদন্তে তিনি সম্পূর্ণ ব্যর্থ হন। শুধু তাই নয় ডাকাতিসহ আরো দুটি মামলা তদন্তেও তিনি সাফল্য দেখাতে পারেন নি।

খবর ২৪ ঘণ্টা.কম/ জন

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।