সবার আগে.সর্বশেষ  
ঢাকাসোমবার , ১৫ জানুয়ারি ২০১৮
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রাজশাহীতে আ’লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষ: চেয়ারম্যানসহ আহত ৪

অনলাইন ভার্সন
জানুয়ারি ১৫, ২০১৮ ৭:৩৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

‍নিজস্ব প্রতিনিধি:  রাজশাহীর চারঘাটে মাদ্রাসার সভাপতি হওয়াকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ চারজন আহত হয়েছেন। সোমবার বেলা এগারোটার দিকে উপজেলার ইউসুফপুর ইউনিয়ন পরিষদে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, ইউসুফপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিউল আলম রতন, ২ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোশাররফ হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক দুলাল সরকার, ইউপি সদস্য মালেকের ছোট ভাই মকলেছুর রহমান। আহতদের উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জানা যায়, উপজেলার গোবিন্দপুর দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পান ইউসুফপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের শফিউল আলম রতন। আর এতে বাধ সাধেন উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক দুলাল সরকার। এ নিয়ে কয়েক দিন ধরেই উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলে আসছিল।

সোমবার সকালে ইউপি চেয়ারম্যান শফিউল আলম রতন পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য ইউনিয়ন পরিষদে যান। এ সংবাদ জানতে পেরে সকাল ১১ টার দিকে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক দুলাল সরকার তার সমর্থক ১০/১৫ জনের একটি দল নিয়ে অতর্কিত ভাবে ইউপি চেয়ারম্যান শফিউল আলম রতনের উপর হামলা চালায়। এসময় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ইউপি চেয়ারম্যান শফিউল আলম রতন, রতনের সমর্থক ২ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোশাররফ হোসেন, দুলাল সরকার ও দুলাল সরকারের সমর্থক মকলেছুর রহমান আহত হন। তাৎক্ষনিক ভাবে আহতদের উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাতপাতালে ভর্তি করা হয়। এ দিকে এ ঘটনায় ইউনিয়ন পরিষদে চরম আতংক ছড়িয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে জানতে ইউপি চেয়ারম্যান রতনের  যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,গোবিন্দপুর দাখিল মাদ্রাসা পরিচালনা পরিষদের সভাপতি হিসেবে আমাকে দায়িত্ব দেয়া হয়। কিন্তু ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক দুলাল সরকার সে জোর করে ওই মাদ্রাসার সভাপতি হতে চাই। তাকে সভাপতি না করায় বেশ কিছু দিন ধরেই মাদ্রাসা সুপারকে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছিল। সোমবার সকালে পরিষদে আসার আধা ঘন্টার মাথায় অতর্কিত ভাবে দুলাল তার দলবল নিয়ে এসে আমার উপর আক্রমন করেন।

অপর দিকে ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক দুলাল সরকারের  যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনাটি সম্পর্কে মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেহেদী হাসান রন্টু বলেন, খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু তার আগেই পরিষদ এলাকা ফাকা হয়ে যায়। তবে লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে দোষীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দেন ওসি মেহেদী হাসান।

খবর ২৪ ঘণ্টা.কম/এমকে

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।