1. [email protected] : Abir k24 : Abir k24
  2. [email protected] : bulbul ob : bulbul ob
  3. [email protected] : Ea Shihab : Ea Shihab
  4. [email protected] : khobor : khobor 24
  5. [email protected] : admin : admin admin
  6. [email protected] : nahid islam : nahid islam
  7. [email protected] : R khan : R khan
মহাদেবপুরে মাদ্রাসায় ভূয়া নিয়োগ বোর্ডসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ - খবর ২৪ ঘণ্টা
শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ০৭:৩৮ অপরাহ্ন

মহাদেবপুরে মাদ্রাসায় ভূয়া নিয়োগ বোর্ডসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬

মহাদেবপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর মহাদেবপুরের বিনোদপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ভূয়া নিয়োগ বোর্ডসহ বিভিন্ন অনিয়মের প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মাদ্রাসার সুপার। লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সুপার মো. আঃ বারী ২০০২ সালে বৈধ নিয়োগ বোর্ডের মাধ্যমে যোগদান করে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। পরবর্তীতে ২০০৪ সালের মে মাসে বিধি মোতাবেক ১২টি পদে নিয়োগ বোর্ড সম্পন্ন হয়।

উক্ত নিয়োগে প্রভাবশালী মহলের ইচ্ছা বাস্তবায়িত না হওয়ায় সুপারের বিরুদ্ধে মিথ্য অভিযোগ এনে একই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয় এবং বিধিবর্হিভুতভাবে একজন জুনিয়র শিক্ষিকাকে ভারপ্রাপ্ত সুপারের দায়িত্ব দিয়ে তার মাধ্যমে ভূয়া নিয়োগ বোর্ড গঠন করে ওই বছরেরই ৩১ ডিসেম্বর সহকারি মৌলভী শিক্ষক পদে মাওলানা রমজান আলী (ফাজিল), মো. মোজাহার আলী (সমাজবিজ্ঞান), মোস্তাক আহম্মেদ (সমাজবিজ্ঞান), মো. শহিদুল ইসলাম (কম্পিউটার) ও অফিস সহকারি মো. শাহজাহান আলী প্রাংকে নিয়োগ সম্পন্ন দেখানো হয়।

পরবর্তীতে ২০১৪ ও ২০১৫ সালে শূণ্য পদ দেখিয়ে উপরোক্ত পদগুলোতে পুনরায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে, যা পরস্পর বিরোধী এবং পূর্বের নিয়োগকে সন্দেহজনক প্রমাণ করে। তিনি আরো অভিযোগ করেন যে, উক্ত নিয়োগ বোর্ডে নিয়োগপ্রাপ্ত মো. শহিদুল ইসলাম ২০০৬ সাল পর্যন্ত ম্যানেজিং কমিটির সদস্য হিসেবে বিভিন্ন রেজুলেশনে স্বাক্ষর প্রদান করেছেন।

এমনকি তার নিজের নিয়োগ বোর্ডেও তিনি নিয়োগ কমিটির সদস্য হিসেবে স্বাক্ষর করেন। এ বিষয়ে সাবেক ভারপ্রাপ্ত সুপার জান্নাতুন সুপার তার বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিধি মোতাবেক সকল নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে। সুপার আঃ বারির বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দূর্ণীতির প্রমাণ পাওয়ায় তৎকালীন ম্যানেজিং কমিটি তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেন। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে জেএমবির সাথে জড়ির থাকার অভিযোগে এবং ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার মামলায় আদালত তাকে বেশ কয়েক বছর সাজা দেন। মাদ্রাসার সুপার মো. আব্দুল বারি বলেন, একটি প্রভাবশালী মহল তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছিল। উচ্চ আদালতের রায়ে তিনি বর্তমানে ওই মাদ্রাসাতে সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মানজুরা মুশাররফ অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, এ বিষয়ে দুই সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট পেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

খবর২৪ঘন্টা/এসএফ

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।

 
Developed By Khobor24ghonta Team