শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:১১ অপরাহ্ন

বড় পর্দায় কাজ করাই আমার স্বপ্ন : রাজশাহীর মেয়ে নীল

আদ্রীয়া নীল

 নিজস্ব প্রতিবেদক :
টেলিফিল্ম ও মিউজিক ভিডিওর পর এবার বড় পর্দায় কাজ করাই আমার একমাত্র বড় স্বপ্ন বলে মন্তব্য করেছেন মডেল ও অভিনেত্রী রাজশাহীর মেয়ে আদ্রীয়া নীল। বৃহস্পতিবার দুপুরে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল খবর ২৪ ঘণ্টাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাতকারে এ কথা জানান তিনি।
তিনি বলেন, ছোট বেলা থেকেই অভিনয়ের স্বপ্ন দেখতাম। সিনেমায় কাজ করার স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে এসএসসি পাসের পর নিজেকে তৈরি করার জন্য রাজশাহী শিল্পকলা একাডেমীতে ভর্তি হয়ে নাচ শেখা শুরু করি। কারণ বর্তমান সময়ে রাজশাহীর অনেক অভিনেত্রী ঢাকায় ভাল করছে। তাদের দেখেই অনুপ্রেরণা পাই।

এইচএসসি পর্যন্ত শিল্পকলা একাডেমীতে নাচ শিখেছি। এরপর বড় পর্দায় কাজ করার স্বপ্ন নিয়ে পাড়ি জমায় রাজধানী ঢাকা শহরে। ঢাকায় গিয়ে একটি ডান্স একাডেমীতে ভর্তি হয়ে আবারো নাচ শেখা শুরু করি। সেখানে নাচ শিখতে গিয়ে পরিচয় হয় পরিচালক কিশোর রাব্বানীর সাথে। কিশোর রাব্বানী আমাকে দেখে পছন্দ করে। পরে তার প্রথম ছবি “সাহস” এ কাজ করার প্রস্তাব দেন। তার প্রস্তাব পেয়ে খুশি হয়েছিলাম। কারণ বড় পর্দায় কাজ করার স্বপ্ন নিয়ে রাজশাহী ছেড়ে ঢাকায় আসা।

 

এতদিনের স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে ভেবে খুব আনন্দ পেয়েছিলাম। “সাহস” নামের সিনেমায় নায়ক বাপ্পি চৌধুরীর বিপরীতে অভিনয় করি। ওই সিনেমায় আমার সর্বোচ্চ দিয়ে কাজ করার চেষ্টা করেছি। ছবিটির ডাবিংয়ের কাজ শেষ হয়েছে। ছবিটি মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
এরপর আর বসে থাকতে হয়নি। টেলিফিল্ম “সমাজের আলো”, অতপর ভালবাসা” তে অভিনয় করি। এ ছাড়া মিউজিক ভিডিও তুই, এতদিন মনে মনে সহ বেশ কিছু মিউজিক ভিডিওতে কাজ করি।
তিনি আরো বলেন, ছোট থেকেই আমার স্বপ্ন ছিল আমি বড় পর্দায় অভিনয় করবো। অভিনয় করে দর্শকের মন জয় করতে চাই। ভাল অভিনয়ের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে বেঁচে থাকতে চাই। বর্তমান সময়ে রাজশাহীর অনেক মেয়ে অভিনয় করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে। আমি তাদের থেকে প্রেরণা নিয়ে ভাল ভাল ছবিতে ভবিষ্যতে কাজ করতে চাই। বড় পর্দায় ভাল কাজ করা ছাড়া আমার আর কোন বড় স্বপ্ন নেই।
স্বপ্ন পূরণে রাজশাহীর মানুষের সার্বিক সহযোগিতা চাই। সবার থেকে দোয়া কামনা করছি। যাতে আমি বড় পর্দায় ভাল কাজ উপহার দিতে পারি।
আদ্রীয়া নীলের বাড়ি রাজশাহীর তানোর উপজেলায়। রাজশাহী মহানগরের উপশহর এলাকায় আদ্রীয় নীল বসবাস করতেন। তিন ভাই বোনের মধ্যে আদ্রীয়া তৃতীয়। বাবা সালাউদ্দিন খান মারা যাওয়ার পর মা হাবিবা খানের সহযোগিতায় পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া সহ এ পর্যন্ত আসতে পেরেছেন তিনি। বাবা ব্যবসায়ী ছিলেন ও মা গৃহিনী। দাদা শিক্ষকতা করতেন।
রাজশাহী মসজিদ মিশন একাডেমী থেকে তিনি এসএসসি ও রাজশাহী সরকারী মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। বর্তমানে তিনি রাজশাহী কলেজের অর্থনীতি বিভাগের তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত রয়েছেন।

 

খবর২৪ঘণ্টা/এমকে

প্লিজ পোস্টটি শেয়ার করুন


এ ধরনের আরো খবর..

Archive

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০