সবার আগে.সর্বশেষ  
ঢাকাশুক্রবার , ১৯ জানুয়ারি ২০১৮
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাগমারায় খাল খননকে কেন্দ্র করে ত্রিমুখী সংঘর্ষ অস্ত্রসহ আটক ৩

R khan
জানুয়ারি ১৯, ২০১৮ ৭:৪৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বাগমারা প্রতিনিধিঃ রাজশাহীর বাগমারায় অবৈধ পুকুর খননে পানিবদ্ধতা রোধে এলাকাবাসীর উদ্যোগে খাল খননকে কেন্দ্র করে প্রভাবশালীদের সাথে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার ঝিকরা ইউনিয়নে ঝাড়গ্রাম বিলে পুকুরের মালিক, গ্রামবাসী ও পুলিশের মধ্যে গতকাল শুক্রবার ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়। এতে বেশ কয়জন আহত হয়েছেন। গ্রামবাসীরা পিস্তল ও দেশীয় অস্ত্রসহ তিন সহদরকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে লাঠি চার্জ শুরু করলে ত্রিমুখী সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এলাকার প্রভাবশালীদের পুকুর খননের কারণে উপজেলার বড়বিহানালী, ঝিকরা, মাড়িয়া ও যোগীপাড়া ইউনিয়নের পাঁচটি বিলে পানিবদ্ধতায় কয়েক হাজার একর জমি অনাবাদী হয়ে পড়ে। জমি গুলোতে ফসল উৎপাদনের জন্য গতকাল সকালে চারটি ইউনিয়নের ১৬ টি গ্রামের তিন হাজার লোক নিজ উদ্যোগে বিল গুলোর পানি নিস্কাশনের জন্য খাল খননের কাজ শুরু করে। খাল খননের কাজটি উপজেলার ঝিকরা ইউনিয়নের ঝাড়গ্রাম এলাকায় পৌঁছলে সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে বিহানালী গ্রামের সোলাইমান আলী মাষ্টারের তিন ছেলেসহ প্রভাবশালী পুকুর খননকারীরা বাঁধা দেয়। এসময় খাল খনন কারীদের সাথে সোলাইমান আলী মাস্টারের ছেলেদের বাকবিতান্ডা বেঁধে যায়। বাকবিতান্ডার এক পর্যায়ে সোলাইমান আলীর ছোট ছেলে মাহিন হোসেন তার কোমর থেকে পিস্তল বের করে খাল খননকারীদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করে। ওই সময় খাল খননকারীরা তাদেরকে আটকের চেষ্টা করলে সংঘর্ষ বেধেঁ যায়। এলাকাবাসী এক জোটে ধাওয়া করে অস্ত্রসহ তিনজনকে আটক করে। আটককৃতরা হলেন, উপজেলার বড়বিহানালী ইউনিয়নের বিহানালী গ্রামের সোলাইমান মাষ্টারের ছেলে রেজাউল করিম (৪০), আব্দুল মতিন (৩৫) ও মাহিন হোসেন (৩০)। খবর পেয়ে ঝিকরা পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্তকরার চেষ্টা করে। এসময় পুকুর খননকারীরা পুলিশকে উপেক্ষা করে অস্ত্রধারীদের মারধর করার চেষ্টা করে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পুলিশের সদস্যরা বিষয়টি বাগমারা থানাকে অবহিত করে। খবর পেয়ে বাগমারা থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় এবং জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে লাঠি চার্জ শুরু করে। খবর পেয়ে বাগমারা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জাকিরুল ইসলাম সান্টু ঘটনার স্থলে যায় এবং জনতাকে শান্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। এব্যাপারে বাগমারা থানার ওসি নাছিম আহম্মেদ বলেন, পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানিয়েছেন।

 

খবর২৪ঘণ্টা.কম/নজ 

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।