1. [email protected] : Abir k24 : Abir k24
  2. [email protected] : bulbul ob : bulbul ob
  3. [email protected] : Ea Shihab : Ea Shihab
  4. [email protected] : khobor : khobor 24
  5. [email protected] : admin : admin admin
  6. [email protected] : nahid islam : nahid islam
  7. [email protected] : R khan : R khan
পাট-তিল মৌসুমে সারের চাপ, ডিলার পয়েন্টে কৃষকদের দীর্ঘ সারি - খবর ২৪ ঘণ্টা
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৮:৫৯ অপরাহ্ন

পাট-তিল মৌসুমে সারের চাপ, ডিলার পয়েন্টে কৃষকদের দীর্ঘ সারি

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬

নাটোর প্রতিনিধি: নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলায় ইউরিয়া সার সংগ্রহকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ডিলার পয়েন্টে কৃষকদের ব্যাপক ভিড় দেখা গেছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ভোর থেকেই উপজেলার ১৬টি নির্ধারিত ডিলার কেন্দ্রে সার নিতে কৃষকদের দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে দেখা যায়।

কৃষকদের অভিযোগ, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় জনপ্রতি মাত্র ২০ কেজি করে ইউরিয়া সার দেওয়া হচ্ছে। এতে অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না। বর্তমানে উপজেলার কৃষকরা মূলত পাট ও তিল চাষের জন্য ইউরিয়া সার সংগ্রহ করছেন।

উপজেলার মেসার্স সোনালী ট্রেডার্স ও মেসার্স রাজা ইন্টারন্যাশনালসহ প্রায় সব ডিলার পয়েন্টেই একই পরিস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। সকাল থেকেই সেখানে অতিরিক্ত ভিড় ও দীর্ঘ অপেক্ষার চিত্র দেখা যায়।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে বাগাতিপাড়ায় পাট চাষের পরিমাণ লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এ বছর যেখানে ২ হাজার ৮১৫ হেক্টর জমিতে পাট চাষের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল, সেখানে বাস্তবে আবাদ হয়েছে ৩ হাজার ৯৩১ হেক্টর জমিতে। পাশাপাশি সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাতের কারণে জমিতে সারের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় চাহিদাও হঠাৎ বৃদ্ধি পেয়েছে।

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, বর্তমানে উপজেলায় ইউরিয়া সারের মজুত রয়েছে ২১ টন। এছাড়া টিএসপি ১ টন, ডিএপি ১৩ টন এবং এমওপি ৬৯ টন সার সংরক্ষিত আছে।

কৃষক রাজ্জাক আলী বলেন, বর্তমানে জমিতে সার প্রয়োগের উপযুক্ত সময় চলছে। কিন্তু প্রয়োজন অনুযায়ী সার না পাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সময়মতো সার ব্যবহার করা না গেলে ফসল উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন তারা।

ডিলারদের ভাষ্য, সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী সার বিতরণ করা হচ্ছে। তবে হঠাৎ বাড়তি চাহিদার কারণে চাপ সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ড. ভবসিন্ধু রায় বলেন, উপজেলায় সারের প্রকৃত কোনো সংকট নেই। আগে কৃষকরা বিভিন্ন কীটনাশকের দোকান থেকেও সার কিনতে পারতেন। বর্তমানে শুধু নির্ধারিত ডিলার পয়েন্টের মাধ্যমে সার বিতরণ হওয়ায় বিভিন্ন এলাকার কৃষক একসঙ্গে এসব কেন্দ্রে আসছেন। এ কারণেই ডিলার পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত ভিড় সৃষ্টি হয়েছে।

খবর২৪ঘন্টা/এসএফ

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।

Developed By Khobor24ghonta Team