
গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি: নাটোর, রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলাজুড়ে বিস্তৃত ১৬৩টি বিল ও ৫৮টি নদী নিয়ে গঠিত চলনবিল পুনরুদ্ধারে নদী ও খাল খনন, অকেজো রেগুলেটর সচল এবং বিল ও নদী দখলমুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলা কনফারেন্স রুমে সেন্টার ফর ইনভাইরনমেন্ট অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (সিইজিআইএস) আয়োজনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় এসব দাবি উঠে আসে।
সভায় বক্তারা বলেন, চলনবিলকে সচল রাখতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আত্রাই, নন্দকুজা ও তুলসী নদীসহ বেড়াবাড়ি, বিলসা ও কুন্দইল খাল খননের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি অকেজো রেগুলেটরগুলো সচল এবং ব্রিজ ও কালভার্ট সংস্কার করে প্রয়োজন অনুযায়ী উঁচু করতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, চলনবিল পুনরুদ্ধারে বিল ও নদীগুলো দখলমুক্ত করার পাশাপাশি পুকুর খনন বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে সোঁতিজাল, চায়না জাল ও বাদাই জালের ব্যবহার নিষিদ্ধ করে এর বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
সভায় চলনবিলের পরিবেশ ও জলপ্রবাহের ক্ষতি না করে শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবিও জানানো হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা আফরোজের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তরের চলনবিল প্রকল্পের পরিচালক তানভিরুল হক, সিইজিআইএসের সিনিয়র স্পেশালিস্ট তানভির আহমেদ, স্পেশাল সেফগার্ড এক্সপার্ট আলমগীর হোসেন ইমন এবং চলনবিল রক্ষা আন্দোলন কমিটির সদস্যসচিব ও বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম মিজানুর রহমান।
এ সময় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নুরুজ্জামান মিন্টু, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কেএম রাফিউল ইসলাম, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা রতন কুমার সাহা, বিএডিসির সহকারী প্রকৌশলী সাইদুর রহমান এবং চলনবিল প্রেসক্লাবের সভাপতি আলী আক্কাছসহ সংশ্লিষ্টরা বক্তব্য দেন।
খবর২৪ঘন্টা/এসএফ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।